কাউখালীপাহাড়ের সংবাদরাঙ্গামাটি সংবাদশিরোনামস্লাইড নিউজ

কাউখালীতে বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত

কাউখালী প্রতিনিধি: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের চিত্রাংকন, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়।

“বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, শিশুর জীবন করো রঙিন” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে রবিবার সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গন থেকে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে এক আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলা মূল সড়কের গোল চত্বর প্রদক্ষিণ করে অফিসার্স কল্যাণ ক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রা শেষে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মনিরুজ্জামান চৌধুরী এর সভাপতিত্বে অফিসার্স কল্যাণ ক্লাবে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউখালী থানা অফিসার ইনচার্জ মো: মনজুর আলম, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মো: গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কমল বরণ শাহা প্রমূখ।

সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তৃতা কালে বলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। আজ তার ৯৯তম জন্মবার্ষিকী, কিন্তু আজ তিনি আমাদের মাঝে স্ব-শরীরে বেচে নেই। তবে আজকের এই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য তিনি যে অবদান রেখে গেছেন তার জন্য তিনি সারা জীবন আমাদের মাঝে বেচে থাকবেন। যদি তিনি না হতেন তাহলে এই বাংলাদেশ হতো না। তিনি শিশুদের জন্য একটি উদাহরন, কারণ বঙ্গবন্ধু শিশুকাল থেকেই মানুষের কল্যাণে কাজ করে এসেছেন। আজকে যারা শিশু তারা যদি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করতে পারে তবে বাংলাদেশ হবে সোনার বাংলাদেশ।

তিনি আরো বলেন আপনারা সকলে জানেন বাঙালীর হাজার বছরের স্বাধীনতার স্বপ্নকে যিনি বাস্তবায়িত করেছিলেন তিনি মহাকালের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনিই সবুজ-শ্যামলে ঘেরা পলিমাটিতে ‘বাংলাদেশ’ নামের স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের পত্তন করেছিলেন। উপহার দিয়েছিলেন লাল-সবুজের পতাকা, বিশে^র বুকে একেছিল অনির্বাণ এক মানচিত্র। সুতরাং বঙ্গবন্ধুর এই সকল অবদান বাঙ্গালী জাতি কোনদিন ভুলবে না। তাইতো গানের ভাষায় বলতে চাই ‘যদি রাত পোহালে শোন যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই’। আলোচনা শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় যারা বিজয়ী হয়েছে তাদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথি বৃন্দরা।