চট্টগ্রাম সংবাদশিরোনামস্লাইড নিউজ

চট্টগ্রামের দিশা ড্রিংকিং ওয়াটার ফ্যাক্টরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রামের বন্দর থানাধীন দিশা ড্রিংকিং ওয়াটার ফ্যাক্টরীর মালিক মো. জামাল ফরাজী দীর্ঘদিন যাবত ওয়াসার পানির লাইনের সাথে সংযোগ স্থাপন করে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পানি চুরি করে তার মালিকানাধীন ওয়াটার ফ্যাক্টরী পরিচালনা করছিলেন। স্থানীয় এলাকাবাসীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি. ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম ফজলুল্লার নির্দেশে ওয়াসার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা মুস্তফা ও চিফ ইঞ্জিনিয়ার মাকসুদ আলম ২৮ নভেম্বর বন্দর থানাধীন দিশা ড্রিংকিং ওয়াটার ফ্যাক্টরীর মালিক মো. জামাল ফরাজীর ওয়াটার ফ্যাক্টরীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানে পানি চুরি করে কম মুল্যে বিক্রি করার প্রমাণ পায়। উক্ত ওয়াটার ফ্যাক্টরীর মালিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত কোনো প্রকার বৈধ কাগজপত্র ও লাইসেন্স প্রদর্শন করতে পারেননি। ওই সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ওয়াটার ফ্যাক্টরীর মালিকের ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানের সমস্ত পানির সংযোগ লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেয়। চট্টগ্রাম ওয়াসার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা মুস্তফা জানান, দিশা ড্রিংকিং ওয়াটার ফ্যাক্টরীর মালিক মো. জামাল ফরাজী প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য কোনো প্রকার বৈধ লাইসেন্স দেখাতে না পারায় সমস্ত পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম ওয়াসা তার নিকট প্রায় দুই লক্ষ টাকা বকেয়া পানির বিল পাবে। বকেয়া পানির বিল পরিশোধ ও লাইসেন্স হালনাগাদ না করা পর্যন্ত তার প্রতিষ্ঠানের পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে। প্রসংগত: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. গালিব চৌধুরী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বিগত ২০.১১.২০১৯ইং তারিখে দিশা ড্রিংকিং ওয়াটার ফ্যাক্টরীর মালিক মো. জামাল ফরাজীকে নগদে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন। প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. জামাল ফরাজী ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট, আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে আনিত সমস্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন।