চট্টগ্রাম সংবাদপাহাড়ের সংবাদবান্দরবান সংবাদশিরোনামস্লাইড নিউজ

চন্দ্রঘোনা-বান্দরবান সড়কে অসংখ্য খাদ, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

শান্তি রঞ্জন চাকমা: চন্দ্রঘোনা-বান্দরবান সড়কের একাধিক স্থানে পিচ ঢালাই উঠে ও দু’পাশ ভেঙ্গে বড় বড় খাদ সৃষ্টি হয়ে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এছাড়াও চন্দ্রঘোনা-বান্দরবান সড়কের রাইখালী-বাঙ্গালহালিয়া-রাঙ্গুনিয়ার দশমাইল পর্যন্ত সড়কের দু’পাশে বনজঙ্গল-লতাপাতায় ছেঁয়ে গেছে। সড়কের মোড় এলাকায় টার্নিং পয়েন্টে বনজঙ্গলের কারনে দেখতে না পেয়ে প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা। বান্দরবান জেলা শহর সহ দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার পদুয়া, শিলক, কোদালা ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ এ সড়কে যাতায়াত করছে। সড়ক সংস্কার কিংবা মেরামত করা না হলে যে কোন মুহুর্তে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। এমনটি আশংকা করছেন এ সড়কের যাত্রী ও একাধিক চালকরা।

চন্দ্রঘোনা-বান্দরবান সড়কের রাইখালী, গোপালপুরা, কারিগড়পাড়া, বাঙ্গালহালিয়া পুলিশ ক্যাম্পের পূর্বে, রাঙ্গুনিয়া সুখবিলাস মুক্তিযোদ্ধা পার্কের সামনে ও দশমাইল এলাকায় সড়কের নাজুক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সিএনজি অটোরিক্সা চালক মো. আলমগীর বলেন, পাহাড়ি ঢলে নেমে আসা বৃষ্টির পানিতে সড়ক ভেঙ্গে ছোট-বড় একাধিক খাদ সৃষ্টি হয়। সড়কের কোন কোন অংশে নিজ উদ্যোগে বালু ও মাটি দিয়ে কোনমতে যান চলাচল সচল রাখা হয়েছে। সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বান্দরবান-চন্দ্রঘোনা সড়কের শ্যামদত্ত তংচংগ্যা পাড়ার সম্মুখে পদুয়া সুখবিলাস মুক্তিযোদ্ধা পার্ক এলাকাটি। মুল সড়কের অধিকাংশ পিচ ঢালাই ধানী জমিতে চলে গেছে।

পদুয়া গ্রামের ব্যবসায়ী নাজিম উদ্দিন বলেন, গত বর্ষা মৌসুমে প্রাকৃতিক দূর্যোগের পর বান্দরবান-চন্দ্রঘোনা সড়কের দু’পাশে শতশত স্থানে পাহাড়ের মাটি পড়ে ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভেঙ্গে মুল সড়কটি আকারে ছোট হয়ে আসে। সড়ক ও জনপখ বিভাগ (সওজ) ও প্রশাসনের সহযোগীতায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বুলডোজার দিয়ে যতটুকু সম্ভব মাটি সরিয়েছে। কিন্তু রাইখালী, কারিগড়পাড়া সহ কিছু কিছু এলাকায় সড়কে পড়ে থাকা পুরোপুরি মাটি সড়াতে পারেনি।

রাইখালী গ্রামের মংসুই মারমা বলেন, বান্দরবান-চন্দ্রঘোনা সড়কে রাইখালী কিছু কিছু এলাকায় পিচ ঢালাইয়ের কাজ চলছে। নোংরা বালি মিশ্রিত সিলেটি পাথরের সাথে কম সংখ্যক বিটুমিন দিয়ে রাস্তার মেরামত কাজ করা হচ্ছে। কাজের মান নি¤œমানের হওয়ায় সড়কটি টেকসই না হওয়ার আশংকা করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় এক ইউপি সদস্য বলেন, অতি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্রিত করে অতি জরুরী ভিত্তিতে সড়ক মেরামত করা প্রয়োজন। তা না হলে যে সক দূর্ঘটনায় হতাহতের সম্ভাবনা রয়েছে।