খাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদপাহাড়ের সংবাদমাটিরাঙ্গাশিরোনামস্লাইড নিউজ

মাটিরাঙ্গায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে জসনে জুলুস শোভাযাত্রা

অন্তর মাহমুদ: সুন্নীয়াতির ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য্যরে মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদ্যাপন উপলক্ষ্যে জসনে জুলুস র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের ফ্রিডম স্কোয়ার থেকে বর্ণাঢ্য জসনে জুলুস র‌্যালী শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। মাটিরাঙ্গা উপজেলা ও পৌর কমিটি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত এ জসনে জুলুসের আয়োজন করে।

মাটিরাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ থেকে আগত ইমাম ও দুই শতাধিক ধর্মপ্রাণ,নবীপ্রেমি মুসলমান নানা রঙের ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে জসনে জুলুস এই র‌্যলী অংশ নেন। এসময় ইয়া রাসলাল্লাহ (স.) ধবনিতে মুখরিত হয়ে উঠে মাটিরাঙ্গার রাজপথ।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো শামছুল হক, মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনিছুজ্জামান ডালিম, মাটিরাঙ্গা ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ কাজী মো. সলিম উল্যাহ ও মুসলিমপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাও. শফি উল্যাহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

জসনে জুলুস র‌্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে বাংলাদেশের মুসলমান-সহ বিশ্ববাসীর শান্তি কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন মাটিরাঙ্গার গোমতি কেন্দ্রীয় শাহী মসজিদের সাবেক খতিব মাও. হেদায়েত উল্যাহ নুরী।

ফ্রিডম স্কোয়ারে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ সোমবার সুবেহ সাদিকে মা আমিনার কোল আলোকিত করে আইয়ামে জাহেলিয়াতের ঘোর অন্ধকার ভেদ করে সত্য, ন্যায় ও একত্ববাদের আলোকবর্তিকা হয়ে পৃথিবীতে আসেন রাসুলাল্লাহ (স.)।

এ সময় কতিপয় ইমামদের র‌্যালিতে অংশ নেয়া না নেয়ার বিষয়টি সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেন বক্তারা। এক পর্যায়ে ভাইস চেয়ারম্যান আনিছুজ্জামান ডালিম এর নেতৃত্বে কয়েকজন মাটিরাঙ্গা মসজিদের পেশ ইমাম হাজির না থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিভীষণ কান্তি দাশ‘র স্বরনাপন্ন হন।