খাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদপাহাড়ের সংবাদমানিকছড়িশিরোনামস্লাইড নিউজ

মানিকছড়ি ছাত্রলীগের আসন্ন কাউন্সিলকে ঘিরে দলে প্রাণচাঞ্চল্য

মানিকছড়ি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মানিকছড়ি উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অত্যাসন্ন।চলতি মাসে আ.লীগের কাউন্সিল শেষ হতে না হতেই ছাত্রলীগের উপজেলা কাউন্সিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আর ছাত্রলীগে না থাকার আভাস পেয়ে সভাপতি,সম্পাদক ও সাংগঠনিক পদ নিয়ে চলছে নানামূখী আলোচনা। এদিকে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ছাত্রলীগের কাউন্সিল শেষ করার জন্য জেলা কমিটি থেকে নির্দেশনা এসেছে উপজেলা কমিটিতে। ফলে জমে উঠেছে ক্ষমতাসীন দল আ.লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের আসন্ন কাউন্সিল।

উপজেলা ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ মানিকছড়িতে ছাত্রলীগের কাউন্সিল হয়েছিল ২০১২ সালে। যা এখনো বহাল রয়েছে। সম্প্রতি আ.লীগের উপজেলা কাউন্সিল শেষে অঙ্গসংগঠনগুলোতে নির্বাচনের আমেজ শুরু হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ আ.লীগের অহংকার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে ত্যাগী নেতা-কর্মীরা মরিয়া। এ নিয়ে গত ১ সপ্তাহ ধরে জোর লবিং প্রত্যক্ষ করা গেছে। সভাপতি,সম্পাদক ও সাংগঠনিক পদে একাধিক প্রার্থীর নাম আলোচনায় উঠে আসছে। ইতোপূর্বে যারা দলের সাথে সমন্বয় রেখে সভা-সমাবেশে নিজেকে বঙ্গবন্ধু’র আদর্শ সৈনিক হিসেবে নেতৃত্ব দিতে পেরেছে আজ এই কাঙ্খিত সময়ে নেতা-কর্মীরা তাদেরকেই গুরুত্বপূর্ণ পদে খুঁজছে। সভাপতি পদের জন্য ছাত্রনেতা মো. জামাল হোসেন,চহ্লাপ্রæ মারমা নিলয় এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. সাইফুল ইসলামের নাম নেতা-কর্মীদের মূখে শোনা যাচ্ছে বেশি। সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ততই প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থা প্রকাশ করছে। তবে সব মিলিয়ে এবারের কাউন্সিলে শীর্ষ পদে জমজমাট লড়াই প্রত্যাশা করছে নেতা-কর্মীরা। কারণ প্রার্থীরা সকলেই ইতোপূর্বে ছাত্রলীগে সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় রেখেছে।

বর্তমান কমিটির সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল ছাত্রত্ব ছেড়ে দাম্পত্য জীবনে প্রবেশ করেছে। তাই তারা ছাত্রলীগে থাকছেনা। যার কারণে সভাপতি,সম্পাদক ও সাংগঠনিক পদ নিয়ে সর্বত্র চলছে জল্পনা-কল্পনা। এ ক্ষেত্রে ত্যাগী ও স্বচ্ছ এবং কর্মীর সন্ধান করছে নেতারা। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বর্তমান সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ২০১২ সালে আমি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর চার ইউনিয়নের চারটি এবং কলেজের একটি ইউনিট নিয়ে সংগঠনে আন্তরিকভাবে কাজ করেছি। এ সময়ে ছাত্রলীগ অতীতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালীও হয়েছে। ৬১ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা কমিটির আসন্ন নির্বাচনের আগে ইউনিয়ন ও কলেজ শাখায় নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এ নিয়ে কাজ চলছে। আশা করছি নতুন কমিটিতে সৎ,যোগ্য ও আদর্শবান ছেলেরা স্থান পাবে এবং একটি শক্তিশালী কমিটি উপহার দিতে পারবো।