পাহাড়ের সংবাদরাঙ্গামাটি সংবাদলংগদুশিরোনামস্লাইড নিউজ

লঙ্গদু মডেল কলেজে বাড়তি প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষা ফি নেয়ার অভিযোগ

মোঃ আব্দুর রহিম, লঙ্গদু: চট্রগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সম্প্রতি লঙ্গাদু মডেল কলেজে (সাবেক রাবেতা মডেল কলেজ) এইচএসসি পরীক্ষার মানবিক ও বানিজ্য শাখার পরীক্ষা শেষ হয়েছে । বিজ্ঞান বিভাগের প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষা বাকী রয়েছে।

প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষা বাবত ফরম ফিলাপকালীন বোর্ড নির্ধারিত একটি ফি নেয়া হয়। স্থানীয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার ব্যয় মিটানোর জন্য আরেকটি ফি নেয়া হয়। যা সকল কেন্দ্রেই হয়ে থাকে, তবে তা হয় ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকদের সাধ্যের মধ্যে। কিন্তু লঙ্গদু মডেল কলেজে তা ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের সাধ্যের বাহিরে।কেন্দ্র ফি বাবত শিক্ষার্থী প্রতি নেয়া হয়েছে ৭০০ টাকা।প্রায় ৩০০ জন শিক্ষার্থীএ কেন্দ্রেপরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।আজ ১৫ মে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষারত কয়েকজন ছাত্র অভিভাবক অভিযোগ করে জানান, লঙ্গাদু মডেল কলেজে প্যাক্টিক্যাল পরীক্ষা বাবত একজন শিক্ষার্থী থেকে ১২০০/-(এক হাজার দুইশত টাকা হারে) নেয়া হচ্ছে।

দুর্গম এ পাহাড়ী জনপদে এমনিতেই শিক্ষায় দীক্ষায় পিছিয়ে, তার উপর কলেজ করতিপক্ষের অতিরিক্ত ফি আদায় অভিভাবকদের হতাশ করে তুলছে। শুধু তাই নয় অভিভাবকরা আরো জানান, ফরম ফিলাপের সময় ও আমাদের কাছ থেকে বোর্ড নিধারিত ফি থেকে অনেক টাকা বেশি নেয়া হয়েছে। যার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে বোর্ড ফি ২৫০০ টাকা সেখানে নেয়া হয়েছ ৩১০০ টাকা, মানবিক ও বানিজ্য বিভাগে বোর্ডের ফি ১৯০০ টাকা সেখানে নেয়া হয়েছে ৩১০০ টাকা করে। শুধু তাই নয় অভিভাবকরা ক্ষোভের সাথে আরো জানান যে, কোচিং বা অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য নিয়মিত অনিয়মিত সকল ছাত্র ছাত্রীর কাছ থেকে ১৮০০ করে নেয়া হয়। কিন্তু ২/৩ জন শিক্ষক ছাড়া অন্যরা তেমন কোন ক্লাস নেয়নি, ছেলে মেয়েরা কলেজ থেকে ফিরে এসেছে।

এ ব্যাপারে কলেজ অধ্যক্ষকে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা হয়নি। যার কারনে আজ ছেলে মেয়েদের প্যাক্টিক্যালসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাড়তি ফি দিতে হচ্ছে। অভিভাবকরা আরো জানান, কোন ছেলে মেয়ে এসব বিষয়ে আপত্তি জানালে তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে তিরস্কার করা হয়।অভিভাবকদের কোন মতামতের ও মূল্যায়ন করা হয়না।উম্মুক্ত আলোচনায় এক ছাত্রী শ্রেণী কক্ষে শিক্ষকের পাঠদানের বিষয়ে মতামত তুলে ধরলে ঐ ছাত্রীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হয়েছে। এসব বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষের মতামত জানার জন্য চেষ্টা করেও তাহার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি। ভোক্তভুগি অভিভাবকগন কলেজ অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে সহযোগিতা কামনা করছেন।