ক্রীড়াবান্দরবানবান্দরবান সংবাদলামাশিরোনামস্লাইড নিউজ

লামায় মিরিঞ্জা গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট ফাইনাল অনুষ্ঠিত

লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি: লামায় মিরিজ্ঞা গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্টের চুড়ান্ত পর্বের ম্যাচে মাতামুহুরী ডিগ্রীকলেজ একাদশকে ২-১ গোলে হারিয়ে মেরাখোলা একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মাতামুহুরী ডিগ্রীকলেজ একাদশ টিমের নাইজিরিয়ান প্লেয়ারদের হারিয়ে মেরাখোলা একাদশ তাক লাগিয়ে দেয় ফুটবল প্রেমিক হাজার দর্শককে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় লামা চাম্পাতলী আর্মিক্যাম্প মাঠে অনুষ্ঠিত হয় মিরিজ্ঞা গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্টে-২০১৭। নাইজিরিয়ার ফুটবলাররা এই টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় অংশ নিচ্ছেন; এমন সংবাদে হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে কানায় কানায় ভরে উঠে চাম্পাতলী আর্মিক্যাম্প মাঠ।

খেলার প্রথমার্ধে মেরাখোলা একাদশের দুর্দান্ত আক্রমনে মাতামুহুরী ডিগ্রীকলেজ একাদশের নাইজাররা হতবিহ্বল হয়ে পড়ে। কিছু বুঝে উঠার আগেই বিদেশি খেলোয়াড়দের দল মাতামুহুরী ডিগ্রীকলেজ একাদশকে দু’গোল করে দর্শক গ্যালারিতে হৈচৈ ফেলে দেয় মেরাখোলা একাদশ দল। খেলার দ্বিতীয়ার্ধে মাঠের ধাচ বুঝে ক্রমে বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করে ১ গোল পরিশোধ করে মাতামুহুরী কলেজ একাদশ। একটি অপরিচিত মাঠে কৌশল বুঝে গোল করার মতো সময় (নাইজার খেলোয়াড়) মাতামুহুরী কলেজ একাদশের ভাগ্যে জুটেনি। অবশেষে রেপারীর সর্বশেষ বাঁশি মেরাখোলা একাদশের চ্যাম্পিয়ন নিশ্চিত হয়ে গেল।

লামা পৌর মেয়র মো: জহিরুল ইসলামের উদ্বোধন ও সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফুটবল টুর্ণামেন্টে প্রধান অথিতি ছিলেন, লামা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি- সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল। বিশেষ অথিতি ছিলেন, জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তফা জামাল, ফাতেমা পারুল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ি আওয়ামীলীগ নেতা বিজয় আইচ, আনসার ব্যাটিয়নের উপ-অধিনায়ক, পৌর কাউন্সিলরগণসহ স্থানীয় গন্যমান্যরা। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সাপ দলের হাতে কাপ তুলে দেন প্রধান অথিতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল।

এধরণের টুর্ণামেন্ট ফুটবল প্রেমিদের যেমনি বিনোদন দেয়, একই সাথে বর্তমান প্রজম্মকেও পথভ্রষ্টতা থেকে রেহায় দিতে পারে। সময়ের নিষ্ঠুর আগ্রাসন, আধুনিকতার ছোঁয়ায় সময়ের পাতা থেকে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খেলা। শৈশবে যেসব খেলাধুলায় দিন কাটিয়েছেন আমাদের ৭০ দশকে জম্ম নেয়া প্রজম্মসহ আজকের বয়ো-বৃদ্ধরা, তারাও এখন ভুলতে বসেছেন অনেক খেলার নাম। এই কঠিন বাস্তবতার হাত থেকে গ্রামীন সমাজকে রক্ষা করার নানান উদ্যাগ নেয়া হলে; আমাদের আগামী প্রজম্ম সাভাবিক বিকাশের সুযোগ পাবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা অনুধাবন করা উচিৎ।