খাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদপাহাড়ের সংবাদমাটিরাঙ্গাশিরোনামস্লাইড নিউজ

মাটিরাঙ্গায় অবৈধ ব্রীকফিল্ড: প্রশাসনের নাকের ডগায় কাটছে পাহাড়ের মাটি ও গাছ

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছ, খাগড়াছড়ি: আইন বৃদ্ধাঙ্গুগুলি প্রর্দশন করে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় প্রশাসনের নাকের ডগায় যত্রতত্র ইট তৈয়ারীর জন্য কাটছে পাহাড়ের মাটি ও গাছ, তাই বিপন্ন হচ্ছে পরিবেশ। ফলে কোন প্রকার বাঁধা ছাড়াই প্রতি বছর নতুন নতুন ইটভাটা নির্মান ও তাদের লাগামহীন অবৈধ পন্থায় ইট উৎপাদনী কার্যক্রম দেখেও তা বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ প্রশাসন গ্রহন না করায় সচেতন মহলের মনে জন্ম দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

অনুসন্ধানে জানাযায়, খাগড়াছড়ি থেকে কোন কাঠ বা জ্বালানী জেলার বাহিরে নিতে হলে হারারো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বৈধভাবে নিতে হয়। জ্বালানী কাঠের জন্য সরকার রয়ালটি পায়। কিন্তু ইটভাটায় লক্ষলক্ষ টন জ্বালানী কাঠ পোড়ানো হলেও অদৃশ্য কারনে ইটভাটার মালিকদের কোন রয়ালটি দিতে হয় না। এসকেভেটর মেশিন দিয়ে পাহাড় কাটা ও কয়লা ব্যবহার না করে জ্বালানি হিসেবে পরিবেশের অমূল্য সম্পদ গাছ নির্বিচারে পুড়ানোসহ বাংলা চিমনি ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন প্রকার নজরদারী নেই বল্লেই চলে। পরিবেশ রক্ষায় যে সকল প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা কাজ করেন তারাও অজ্ঞাত কারনে চুপ বসে আছেন। পাহাড়ের পর পাহাড় কেটে ও পুকুর খনন করে কৃষি জমির উর্বর মাটি দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে কোটি কোটি ইট।
ব্রীকফিল্ড মালিক সমিতির সুত্রে জানাযায়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বিভিন্ন প্রশাসন ও সাংবাদিক মহলকে ম্যানেজ করেই এই অবৈধ ব্রীকফিল্ড গুলো তারা পরিচালনা করছেন। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি, ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যহত থাকবে।  মালিক বেলাল হোসেন ওরফে (ডিশ বেলাল) এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আছে ও গাছ পোঁড়ানো হয় এবং বাংলা চিমনি ব্যবহার করা হয়।

এ বিষয়ে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিভীষন কান্তি দাশ বলেন, মাটিরাঙ্গা প্রেস ক্লাবের একজন সাংবাদিক অভিযোগ করার প্রেক্ষিতে প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদককে সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম এর পর মাটি কাটতে দেখি নাই। গাছ পোড়ানো‘র বিষয়ে জানতে চাইলে, কোন প্রকার বা ধরণের গাছ পোড়ানো হচ্ছে তা ক্ষতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বাস দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। বাংলা চিমনি ব্যবহারের প্রশ্ন করা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে এই অবহিতকে বলেন।