খাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদপাহাড়ের সংবাদশিরোনামস্লাইড নিউজ

নিরুত্তাপ হরতালে গুইমারাতে যান চলাচল স্বাভাবিক

স্টাফ রিপোর্টার: মাটিরাঙ্গা উপজেলার নতুনপাড়া গ্রামের মোঃ খোরশেদ আলমের ছেলে মোঃ সালাহ উদ্দিন, একই গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মহরম আলী ও আদর্শ গ্রামের ড্রাইভার বাহার মিয়া জেলার মহালছড়ি’র মাইসছড়ি এলাকায় কাঠ কিনতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের উদ্ধারের দাবীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের ডাকা হরতাল গুইমারা উপজেলায় ঢিলেঢালা ভাবে পালিত হয়েছে। নিরুত্তাপ হরতাল চলাকালে সকালের দিকে যানবাহন চলাচল কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে যান চলাচল অন্যান্য দিনের মত স্বাভাবিক পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

বাঙ্গালীদের অধিকার আদায় ও তিন বাঙ্গালী ব্যবসায়ী নিখোঁজ হওয়ায় তাদের অক্ষত ভাবে উদ্ধারের দাবীতে হরতাল আহবান করলেও বেশীর ভাগ ভাড়ায় চালিত বাঙ্গালী মোটর সাইকেল চালকদের রাস্তায় যাত্রী পরিবহন করতে দেখা গেছে। এদের দেখাদেখি ভাড়ায় চালিত উপজাতীয় চালকদের মোটরসাইকেলও চলাচল করে সমান তালে। দুরপাল্লার নৈশ কোচগুলো পুলিশী নিরাপত্তায় গুইমারা উপজেলার সীমানা পার হয়ে গন্তব্যে পৌছে। পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইউসুফ পাটোয়ারীকে মুঠোফোনে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানালে তিনি বিভিন্ন পয়েন্ট তাদের পিকেটাররা অবস্থানে থাকার কথা বললেও গুইমারা উপজেলায় হরতালের সমর্থনে কোন প্রকার কার্যক্রম চোখে পড়েনি।

গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, সকাল সন্ধ্যা হরতাল চলাকালে সকল প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার কথা জানান। পুুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তাবাহিনীকেও টহল দিতে দেখা গেছে।

প্রসঙ্গত: গত ১৬এপ্রিল খাগড়াছড়ি’র মহালছড়ির মাইসছড়িতে কাঠ ক্রয় করতে গিয়ে নিখোজ বা অপহৃত ব্যবসায়ী তিন বাঙালিকে উদ্ধারের দাবিতে খাগড়াছড়িতে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ ২২এপ্রিলের মধ্যে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের প্রশাসনের প্রতি আলটিমেটাম দেয় সংগঠনটি। নির্ধারিত সময়ে উদ্ধারে ব্যর্থ হলে ২৩এপ্রিল পূর্বঘোষিত সকাল-সন্ধ্যা হরতাল আহবান করে তারা। মিছিল-মিটিং হরতাল পিকেটিং হলেও এখনও খোজ মিলেনি ঐ ৩ অপহৃত বাঙ্গালী ব্যবসায়ীর। তাদের ভাগ্যে কি ঘটেছে তা নিয়ে উৎকন্ঠায় পাহাড়ের মানুষ।