খাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদগুইমারাচট্টগ্রাম সংবাদপাহাড়ের সংবাদফটিকছড়িলক্ষ্মীছড়িশিরোনামস্লাইড নিউজ

বাইন্যাছোলা-মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন জিওসি

স্টাফ রিপোর্টার: বাইন্যাছোলা-মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং এবং চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমান। ২৯ অক্টোবর সোমবার তিনি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এসময় দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন লক্ষ্মীছড়ি জোনের ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা মো: হেলাল উদ্দিন।

গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম সাজেদুল ইসলাম, লক্ষ্মীছড়ি জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল মো: মিজানুর রহমান মিজান, লক্ষ্মীছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ আ: জব্বার, লক্ষ্মীছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর জান্নাতুল ফেরদৌস এসময় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কাঞ্চননগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রশিদ উদ্দিন চৌধুরী কাতেব, লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রবিল কুমার চাকমা, ফটিকছড়ি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌস হোসেন, যুগ্যাছোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ক্যয়জরী মারমা, দুল্যাতলী ইউপি চেয়ারম্যান ত্রিলন চাকমা, বর্মাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান হরিমোহন চাকমা, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্য হতে আবুল হাসেম চৌধুরী, আ: মাজেদ গাজি, আলি মিয়াসহ লক্ষ্মীছড়ি ও ফটিকছড়ি উপজেলার সরকারি কর্তা ব্যক্তি, হেডম্যান-কার্বারী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

জিওসি বিদ্যালয়ের জায়গাটি পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এমন একটি মহত উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। পরে বাইন্যাছোলা-মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে এক মতিবিনময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার। তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে নিতে সেনাবাহিনীর পক্ষ হতে সর্বাত্মক সহযোগীতা করা হবে। শান্তি সস্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে এক সাথে কাজ করার আহবান জানান তিনি। পরে চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার লক্ষ্মীছড়ি জোন পরিদর্শন করেন।

উক্ত বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলে লক্ষ্মীছড়ি ও চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি সীমান্তবর্তী বাইন্যাছোলা, ডিপি পাড়া, সমুড় পাড়া, সাওতাল পাড়া, মহিষকাটা, দন্ডি পাড়া, হলুধ্যা পাড়া এবং ফটিকছড়ির মানিকপুর, টিলা পাড়া, সাতগড়িয়া পাড়া, নাপিত পাড়া, ফেদুরপাড়া ও বানতি পাড়াসহ এলাকায় অন্তত ১৫টি গ্রামের ছেলে-মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এখানে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় ১০ কি: মি: দুরে গিয়ে ছেলে-মেয়েরা অনেক কষ্ট করে লেখা পড়া করতে হয়। ফলে ঝড়ে পড়ার হার অনেক বেশি। বাইন্যাছোলা-মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হওয়ার ফেলে শত শত উপস্থিত জনসাধারণের মাঝে আনন্দ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা আলি মিয়া বলেন, যুগ যুগ ধরে এখানে একটি হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা দাবি করে আসছিলাম। এটা আমাদের জন্যৗ একটা স্বপ্ন ছিল যা আজকে বাস্তবায়ন হলো। এলাকাবাসীর পক্ষ হতে জোন কমান্ডার, রিজিয়ন কমান্ডার ও চট্টগ্রামের জিওসিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

এছাড়াও প্রধান অতিথি আসার পূর্বে বিদ্যালয় স্থাপনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তার উপর দুই সীমান্তবর্তী এলাকার, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা অনুভূতি প্রকাশ করে সকলের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন।