খাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদগুইমারাপাহাড়ের সংবাদশিরোনামস্লাইড নিউজ

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানই সর্বাধিক উন্নতি ও অগ্রগতি -মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমান

স্টাফ রিপোর্টার: শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন এই মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে দূর্গম এলাকার জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ২৯ অক্টোবর বাইন্যাছোলা-মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে এক মতিবিনময় সভায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং এবং চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমান প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা দ্বন্দ্ব চাই না, আমরা কোন সংঘাত চাই না। আমরা চাই সর্বোচ্চ সম্প্রীতি, আমরা চাই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সর্বাধিক উন্নতি ও অগ্রগতি। আমার চাই স্বার্থান্বেষী মহল যেন হিংসার বিষবাষ্প পাহাড়ে ছড়িয়ে দিতে না পারে। আমরা চাই প্রিয় বাংলাদেশের ভৌগলিক অক্ষন্ডতা। আমরা পাহাড়ী বাঙ্গালী আমাদের একটাই পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশী’।

জিওসি বলেন, কিয়াংঘর ও বৌদ্ধমূর্তি ভেঙ্গে যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টা করছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘দয়া করে উদর পিন্ডি ভূধর ঘাড়ে চাপাবেন না’। এই পাহাড়ে অনেক কেয়াং ঘর বৌদ্ধ মন্দির সেনাবাহিনী নির্মাণ করে দিয়েছে, ভেঙ্গে ফেলে নাই। সেনাবাহিনী কাজ গড়তে জানে ভাংতে জানে না। পাহাড়ে আমরা অনেক সময় অভিযান পরিচালনা করে সামরিক পোষাক উদ্ধার করেছি। বাজারে সেনাবাহিনীর পোষাক কিনতে পাওয়া যায়। কোনো দুস্কৃতিকারি সেনাবাহিনীকে বেকায়দায় ফেলতে অপকর্ম চালাতেই পারে। তাদের হিনো উদ্দেশ্য কখনো বাস্তবায়ন হবে না উল্লেখ করে চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার বলেন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপসহ শান্তি বিনষ্ট হয় এমন কোনো কিছুই সহ্য করা হবে না।

এসময় গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম সাজেদুল ইসলাম, লক্ষ্মীছড়ি জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল মো: মিজানুর রহমান মিজান, লক্ষ্মীছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ আ: জব্বার, লক্ষ্মীছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর জান্নাতুল ফেরদৌস এসময় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কাঞ্চননগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রশিদ উদ্দিন চৌধুরী কাতেব, লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রবিল কুমার চাকমা, ফটিকছড়ি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌস হোসেনসহ লক্ষ্মীছড়ি ও ফটিকছড়ি উপজেলার সরকারি কর্তা ব্যক্তি, হেডম্যান-কার্বারী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।