খাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদগুইমারাপাহাড়ের সংবাদশিরোনামস্লাইড নিউজ

ইসলামী মূল্যবোধ প্রচার ও প্রসারে বঙ্গবন্ধু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন- কংজরী চৌধুরী

স্টাফ রিপোর্টির: ইসলামী মূল্যবোধ প্রচার ও প্রসারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং তিনিই প্রথম ইসলামকে প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষার স্বীকৃতি দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী। ৪ডিসেম্বর দুপুরে মঙ্গলবার খাগড়াছড়ি’র গুইমারা উপজেলাধীন হাফছড়ি ইউনিয়নের বড়পিলাক এলাকায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে ৪৫লক্ষ টাকা ব্যয়ে বড়পিলাক স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন।

এসময় গুইমারা উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, হাফছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান চাইথোয়াই চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আইয়ুব আলী মেম্বার, হাফছড়ি ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ডা: শাহ আলম, বড়পিলাক জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মহি উদ্দিন বিন ওয়াহেদ, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ মাইন উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছানা উল্লাহ সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মাদ্রাসার শিক্ষক/শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

পরে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ মাঈন উদ্দিনে সভাপতিত্বে মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্যে কংজরী চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের বহুমুখী উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ইসলামী মূল্যবোধ প্রচার ও প্রসারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। ইসলামকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমি শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দিয়ে কওমি জননী উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।

ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম, ভ্রাতৃত্বের ধর্ম, বিজ্ঞান সম্মত ধর্ম, ইসলাম ধর্ম মানুষকে শান্তির পথ দেখায়। ইসলামের শিক্ষায় শিক্ষিত হলে মানুষের চরিত্র ভাল থাকে। নৈতিক অবক্ষয়ী সমাজের নৈতিক চরিত্র গঠনে ইসলামী শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মানুষ যেন সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে এবং শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে, সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রক্ষার্থে সরকারের ধারাবাহিকতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পরে বড়পিলাক বাজারে একটি বটগাছের চারা রোপন করেন কংজরী চৌধুরী।