খাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদপাহাড়ের সংবাদলক্ষ্মীছড়িশিরোনামস্লাইড নিউজ

লক্ষ্মীছড়িতে অগ্নিদগ্ধ আহত শিশু আসমার পাশে সেনাবাহিনী

স্টাফ রিপোর্টার: শিশু আসমা আক্তার। লক্ষ্মীছড়ি তালিমূল কোরআন নূরানী মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। বয়স ৬ বছর। লক্ষ্মীছড়ি গুচ্ছ গ্রামের মো: খোকনের কন্যা। পেশায় দিন মজুর। দিন আনে দিন খায়। সহায় সম্বল বলতে কিছুই নেই। বিধি বাম। সন্ধ্যার কিছু আগে। হঠাতই বিদ্যুত চলে যায়। ঘরে সন্ধ্যার আলো দিতে কুপি বাতি জ্বালিয়ে আনে ৩ বছরের ছোট ভাইসহ পাশের বাড়ি থেকে। অজান্তেই বাতির আগুন শিশু আসমার জামার কাপড়ে লেগে যায়। মুহুর্তের মধ্যেই আগুন ধরে যায় সারা শরীরে। দ্রুত সেনাবাহিনীর ডাক্তার প্রাথমিকি চিকিৎসা দিয়ে পাঠান লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা হাসপাতালে।

অবস্থা মারাত্বক আশংকাজনক হওয়ায় লক্ষ্মীছড়ি জোনের সেনাবাবহিনীর সহায়তায় দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালো পাঠানো হয়। ডাক্তার জানান, প্রায় ৪০% পেটের নিচের অংশ পুড়ে গেছে। অসহায় মা-বাবার পক্ষে চিকিৎসার অর্থ সংগ্রহ করা কোনো ভাবেই সম্ভব ছিল না।

এমতাবস্থায় শিশু আসমা আক্তারের পাশে দাড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী লক্ষ্মীছড়ি জোন ও গুইমারা রিজিয়ন। ২৪আর্টিলািরি ব্রিগেড গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম সাজেদুল ইসলাম ২০হাজার টাকা অর্থ সহায়তা দেন। ৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার লক্ষ্মীছড়ি জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল মো: মিজানুর রহমান মিজান রিজিয়ন কমান্ডারের পক্ষে আহত আসমা আক্তারের মা নুরজাহান বেগমের হাতে চিকিৎসার অর্থ তুলে দেন। এর আগে লক্ষ্মীছড়ি জোনের পক্ষ হতে তাৎক্ষনিক আরো ১০হাজার টাকা চিকিৎসা বাবদ অনুদান প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য গত ৩জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধার কিছু আগে কুপি বাতির আগুনে অগ্নিদগ্ধ চিকিৎসাধীন শিশু আসমা আক্তার। বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন শিশু আসমা আক্তার। আহত আসমা আক্তার কিছুটা শংকামুক্ত বলে এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।