Category: খাগড়াছড়ি

  • খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রাজিব রায়’র মৃত্যুতে ওয়াদুদ ভূইয়া’র শোক প্রকাশ

    স্টাফ রিপোর্টার: খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজিব রায়’র মৃত্যুতে গভীল শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া।

    খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো: আবু তালেব স্বাক্ষরিত এক প্রেসবার্তায় উল্লেখ করেন রাজিব রায়’র মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করার পাশাপাশি শোকাহত পরিবারের সকলের প্রতি সমবেদনা জানান। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে খাগড়াছড়ি জেলা ও সকল উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

    খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজিব রায়’র (৮২) মানিকছড়ি নিজ বাসায় শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে হৃদযন্ত্রের ক্রিড়া বন্ধ হয়ে পরলোক গমন করেন। মৃত্যুকালে ২ ছেলে, ৩ মেয়ে সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন বলে প্রেসবার্তায় উল্লেখ করা হয়।

  • পার্বত্যাবাসীর সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করছে বর্তমান সরকার- জুয়েল চাকমা

    স্টাফ রিপোর্টার: পার্বত্যাবাসীর শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ সামগ্রিক উন্নয়নে বর্তমান সরকারের বিকল্প নেই মন্তব্য করে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য ও ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জুয়েল চাকমা বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে তা আর কোন সরকারের আমলে সম্ভব হয়নি। প্রধানমন্ত্রী দেশকে নিয়ে ভাবেন বলেই শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ সাধারণ জনগণের মৌলিক চাহিদা পুরণ করে পাহাড়ের প্রত্যান্ত জনপদের হতদরিদ্র মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার আমলে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিদ্যুৎ, হাসপাতাল, রাস্তাঘাট, মসজিদ-মন্দিরসহ সকল ক্ষেত্রকে প্রসারিত করে জনমানুষের চাহিদা পুরণে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    শুক্রবার সকাল ১১টায় খাগড়াছড়ির শিশু সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সনাতন সমাজ কল্যাণ পরিষদ সদর উপজেলা কমিটির আয়োজনে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম লাইন্স চক্ষু হাসপাতালে সহযোহিতায় সংগঠনটির সভাপতি সুজিত দাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ সদস্য নির্মলেন্দু চৌধুরী, সনাতন সমাজ কল্যাণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এড. বিধান কানুনগো এবং প্রবীণ সাংবাদিক তরুণ কুমার ভট্টাচার্য্যসহ বিভিন্ন স্থরের নেতৃবৃন্দরা এতে অংশ নেয়। এতে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং গোল্ডেন সিটির সভাপতি লায়ন মোহাম্মদ হোসেন রানা, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং গ্রীণ সিটির সভাপতি লায়ন মাইদুল হক দীপু ও কনসালটেন কথক দাশসহ লায়ন চক্ষু হাসপাতালে ৫ সদস্যের অভিজ্ঞ ডাক্তার চিকিৎসা সেবায় সহায়তা করেন।

    পরে বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে খাগড়াছড়ি জেলঅ পরিষদ সদস্য জুয়েল চাকমা। এ সময় খাগড়াছড়ি সনাতন সমাজ কল্যাণ পরিষদ সদর উপজেলা কমিটির আয়োজনে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ঔষধ বিতরণ অনুষ্ঠানে এবার ৫ শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়ার লক্ষ নিয়ে কাজ করছে সংগঠটি। এছাড়াও গরীব ও দুস্থ রোগিদের বিনামূল্যে চক্ষু ওপারেশনের ব্যবস্থা নিয়েছে সংগঠনটি। আগামীতেও এ ধরনের চিকিৎসা সেবাসহ নানা কর্মকান্ড অব্যাহত থাকবে বলে জানান সংগঠনটির কর্ণধাররা। অনুষ্ঠান শেষে জুয়েল চাকমা চিকিৎসা জন্য সংগঠনটিকে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

  • মানিকছড়ি রাজ জামাতা রাজীব রায় আর বেঁচে নেই

    মানিকছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও মংসার্কেলের প্রয়াত রাজা মপ্রুসাইন বাহাদুরের একমাত্র কন্যা প্রয়াত উনিকা দেবীর স্বামী রাজীব রায় (৮২) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মানিকছড়ি রাজবাড়ীতে ১২ অক্টোবর শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি মৃত্যুবরন করেন।

    মৃত্যুকালে তিনি ২ ছেলে,৩ মেয়ে, নাতী-নাতনীসহ দেশ-বিদেশে বহু আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। আগামী ১৪ অক্টোবর বিকাল ২টায় মানিকছড়ির মহামুনিস্থ পারিবারিক শ্মশানে তাকে দাহ করা হবে।

    প্রয়াত রাজীব রায় ১৯৩৭ সালে ৩ মে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা প্রয়াত রায় বাহাদুর বীর পক্ষ রায়।

    এদিকে রাজীব রায়ের মৃত্যুর সংবাদে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি,রাঙ্গামাটি ,বান্দরবানসহ রাজ পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা প্রয়াত রাজীব রায়ের শোকাহত পরিবারে সমবেদনা জানাতে রাজবাড়ীতে ভীড় জমিয়েছেন এবং শোক প্রকাশ করেছেন।

  • খাগড়াছড়ি ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড’র ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

    এস.এম. ইউছুফ আলী, খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়ি রিজিয়ন ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড’র ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনেরল হামিদুল হক আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর  কেক কাটেন।

    ১১ অক্টোবর বৃহস্পপতিবার আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ ও শরর্ণাথী বিষয়ক টাস্কর্ফোস চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল গাজী মোহাম্মদ সাজ্জাদ, খাগড়াছড়ি ডিজিএফআই অধিনায়ক কর্ণেল মাহবুবুর রহমান, এডিআইজি মোঃ আরঙ্গজেব মহবুব, দায়রা ও জেলা জজ বেগম রোকসানা পারভিন, সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তির্বগ।

  • বীর মুক্তিযোদ্ধা জুলু মারমা’র মৃত্যুবরণ, শোক প্রকাশ

    স্টাফ রিপোর্টার: খাগড়াছড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা বয়োবৃদ্ধ মংশোয়েঅং মারমা (৮১) প্রকাশ জুলু মারমা ও জুলু বাবু ১১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ জেলা শহরের রিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি তিন সন্তান, এক কন্যা, স্ত্রী, পুত্রবধু, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রামগড়ে জন্ম নেয়া প্রবীন এই মুক্তিযোদ্ধা রামগড়-মানিকছড়িসহ মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে সম্মুখসমরে অংশ নিয়ে জীবনযুদ্ধে জয়ী হন। কর্মজীবনে কৃষি বিভাগে কর্মকর্তা হিশেবে কর্মরত ছিলেন। নির্লোভ-অমায়িক ও বন্ধুবৎসল মানুষ হিশেবে খাগড়াছড়িতে তাঁর সুনাম বিদিত। তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শত শত মানুষ তাঁর বাড়িতে ভীড় জমান।

    খাগড়াছড়ি জেলা সংস্থা’র সা: সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য জুয়েল চাকমা জানান, ভীষণ ক্রীড়ামোদী এই মানুষটি খাগড়াছড়ির প্রবীন সমাজের এক গুরুত্বপূর্ণ অভিভাবক ছিলেন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হয়েও কখনো নিজের জন্য কিছু চান নি। জুলু বাবু’র সন্তানদের মধ্যে খাগড়াছড়ির ক্রীড়াঙ্গণের উজ্জল নক্ষত্র প্রয়াত অংক্যজাই মগ টকি ছাড়াও সাবেক ছাত্রনেতা রুকু মারমা, রুপেন মারমাও কৃতী ক্রীড়াবিদ।

    খাগড়াছড়ির নারী সাংবাদিক ও জুলু মারমা’র পুত্রবধু চিংমেপ্রু মারমা জানান, তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। জাতির একজন শ্রেষ্ঠ সন্তান হলেও শেষ বয়সে সরকারের নানা কর্তৃপক্ষ থেকে তাঁর পাশে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর দরকার ছিল। কিন্তু সেটি হয়নি বলে জুলু মারমা কখনো অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন নি।

    জুলু মারমা’র মৃত্যুতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র মো: রফিকুল আলম, রামগড় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-সা: সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ভূইয়া ফরহাদ, জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সা: সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী, লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেম্রাচাই চৌধুরী, পানছড়ি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সমীর দত্ত চাকমা, মারমা উন্নয়ন সংসদ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি মংপ্রু চৌধুরী, সা: সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মংসুই প্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে), বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্রের ট্রাস্টি বাসন্তী চাকমা, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান বিউটি রাণী ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি প্রবীন হিতৈষী সংঘ-এর সা: সম্পাদক প্রবৃত্তি কুমার চাকমা, খাগড়াছড়ি পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলন-এর সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি টিকো চাকমা ও সা: সম্পাদক জহির উদ্দিন ফিরোজ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এবং নজরুল সংগীত শিল্পী পরিষদ সভাপতি রতন দেবনাথ পৃথক পৃথক বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করেছেন।

    প্রয়াতের মেঝ সন্তান ও খাগড়াছড়ি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অংপ্রু মারমা জানান, শুক্রবার দুপুরের পর খাগড়াছড়ির বটতলীস্থ মহাশ্মশানে জুলু বাবু’র দাহক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

  • ২১ আস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে খাগড়াছড়িতে আনন্দ মিছিল

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা রায়ে খাগড়াছড়িতে আনন্দ মিছিল করেছে জেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন।

    ১০ অক্টোবর বুধবার দুপুরে রায় ঘোষণার পর পরই খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপির অনুসারীর দলের অস্থায়ী কার্যালয় কদমতলী থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি বের হয়ে শহরের সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    এদিকে জেলা আওয়ামীলীগের অপর একাংশের বিকাল ৩টায় খাগড়াছড়ি জেলা শহরে পৃথক আনন্দ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে খাগড়াছড়ির মুক্ত মঞ্চে এক সমাবেশ করে। সমাবেশ থেকে আসামীদের রায় কার্যকরের দাবি জানানো হয়।

  • দীঘিনালায় মঞ্জু চাকমা হত্যার ঘটনায় আটক ২

    স্টাফ রিপোর্টার: দীঘিনালায় জেএসএস (এমএন লারমা) সদস্য মঞ্জু চাকমা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২ সন্দেহভাজন আসামিকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বুধবার বিকালে রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজার এলাকার আবাসিক হোটেল থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, দীঘিনালা শিমুলতলির বাসিন্দা জ্ঞ্যান জ্যোতি চাকমার ছেলে পূন্য চাকমা (২৫), একই এলাকার সন্দি বিকাশ চাকমা ছেলে মহারত চাকমা (২৮)।

    সূত্র জানায়, গত ০৮ অক্টোবর দীঘিনালায় জেএসএস (এমএন লারমা) সদস্য মঞ্জু চাকমাকে গুলি করে হত্যার করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে হত্যাকারীরা রাঙামাটি জেলার লংগদুর উপজেলার গাউছপুর এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম (৪০) এবং হারুন মিয়ার (২৮) বাড়িতে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র রেখে যায় এবং তাদের মোবাইল নম্বর নিয়ে যায়। পরে তাদের অস্ত্রটি রাঙামাটি রিজার্ভ বাজারে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে। সিরাজুল ইসলাম ও হারুন মিয়া সন্ত্রাসীদেরকে রিজার্ভ বাজার আবাসিক হোটেল হামিদে আসতে বললে, পরে সেখানে তারা উপস্থিত হলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের আটক করে।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাঙামাটি কোতয়ালী থানার অফিসার্স আনিচার্জ মীর জাহিদুল হক সাংবাদিকদের জানান, রিজার্ভ বাজার একটি আবাসিক হোটেল থেকে ২জনকে আটক করা হয়েছে। তারা খাগড়াছড়ি দীঘিনালার একটি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানায় তিনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের লংগদু নিয়ে গেছে। তাদের কাছ থেকে কি কি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে তা তাৎক্ষনিক জানানো হয়নি।

  • মংক্যচিং মারমা অপহরণের প্রতিবাদে মহালছড়িতে সমাবেশ

    মহালছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে মংক্যচিং কার্বারীকে অপহরণের প্রতিবাদে সিঙ্গিনালা ও মাইসছড়ি এলাকাবাসীর ব্যানারে মারমা সম্প্রদায়ের নারী পুরুষের অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। ১০ অক্টোবর বুধবার সকাল ১০টায় বিক্ষোভ মিছিলটি মহালছড়ি কলেজ সংলগ্ন ২৪ মাইল নামক চৌমূহনী থেকে শুরু হয়ে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এসে এক সমাবেশে মিলিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য রাখেন উগ্যজাই মারমা, ক্যথৈইচিং মারমা. মংশি মারমা প্রমূখ।

    সমাবেশে বক্তারা পাহাড়ের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের দাবীতে আন্দোলনকারী আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটি ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)’র প্রতি হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, রাজনীতির নামে হত্যা, অপহরণ, গুম করে এবং সাধারণ জনগণকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ কখনই মেনে নেয়া হবেনা। দীর্ঘদিন যাবত থেকে পাহাড়ে রাজনীতির নামে চাঁদাবাজি, হত্যা, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও গুমসহ নানা অপকর্ম করে সাধারণ জনগণকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে। জনগণ এ অত্যাচার আর সহ্য করবেনা। কঠোর হস্তে দমন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন বক্তারা। প্রশাসনের প্রতি উদ্দেশ্য করে আরো বলেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপহরণকারীদের গ্রেফতার পূর্বক অপহৃত মংক্যচিং কার্বারীকে মুক্তি দেওয়া না হলে পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল মারমা সম্প্রদায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচী গ্রহন করা হবে বলে জানান।

    উল্লেখ্য, গত ২৭ আগষ্ট মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি ইউনিয়নের বুলিপাড়া গ্রামের কার্বারী মংক্যচিং মারমাকে কয়েকজন সশস্ত্র অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে অনেক খোঁজাখুজির পরও কোন হদিস মেলেনি। অপহৃত ব্যক্তির আত্মীয় স্বজনেরা পাহাড়ের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের দাবীতে আন্দোলনকারী আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটি ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)কে সরাসরি দায়ী করেছে। এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে মোবাইলে ইউপিডিএফ’র নেতৃস্থানীয় কাউকে পাওয়া যায়নি।

  • রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার নেই দীর্ঘ দিন ধরে

    স্টাফ রিপোর্টার: খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার নেই দীর্ঘ দিন ধরে। পদটি শুন্য থাকায় উপজেলার প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা।

    জানা যায়, রামগড় সাবেক উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো: আল-মামুন মিয়া উচ্চ শিক্ষা জনিত কারণে জাপানে গমন করায় গত ২২ জুলাই থেকে এ পদটি শূন্য রয়েছে। শূন্য পদে একজন ইউএনও কে রামগড়ে বদলি করা হলেও তিনি যোগদান করেননি বলে জানা যায়।

    গত ১৯ আগষ্ট চট্রগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে চট্রগ্রাম জেলার কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জীকে রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে বদলি করা হলেও তিনি যোগদান না করায় পদটি শূন্য রয়েছে। বর্তমানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এটিএম মোর্শেদ উপজেলা নির্বাহি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    গত আড়াই মাস যাবত সাবেক মহকুমা শহর রামগড় উপজেলায় প্রশাসনিক উচ্চপদস্থ পদটি শূন্য থাকায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যার সমাধান কল্পে কার্যকরী কোন পদক্ষেপ না নেয়া, গুচ্ছগ্রাম ভিত্তিক রেশন বরাদ্ধ দেরীতে হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছে মানুষ। সমন্বয়হীনতা দেখা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে।

  • মহালছড়িতে সেনাবাহিনী কর্তৃক দুস্থ্যদের মাঝে চিকিৎসাসেবা

    মহালছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার থলিপাড়া ও নুনছড়ি এলাকায় গরীব ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয়সহ ঔষুধ বিতরণ করেছে মহালছড়ি জোনের সেনাবাহিনী। ৯ অক্টোবর সকাল ১০ টা হতে দুপুর ২টা পর্যন্ত এ চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। এ সময় বিভিন্ন এলাকা হতে ৩ শতাধিক পাহাড়ি ও বাঙ্গালী রোগীরা চিকিৎসা গ্রহন করেন। তখন চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, মহালছড়ি জোনের আর এম ও ক্যাপ্টেন ইমরান।

    চিকিৎসাকালীন সময়ে আর এম ও ক্যাপ্টেন ইমরান বলেন, ঋতু পরিবর্তনের ফলে এলাকায় সর্দি-কাশি, জ¦র, মাথা ব্যাথাসহ বিভিন্ন ভাইরাসজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। দুর্গম এলাকার গরীব লোকেরা অর্থের অভাবে সদরে কিংবা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয়না। তাই সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে মহালছড়ি জোনের উদ্যেগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা কর্মসূচী গ্রহন করা হয়।

    এ যাবত মহালছড়ি জোন বিভিন্ন দুর্গম পাহাড় বেষ্টিত এলাকায় গিয়ে এ ধরণের মেডিকেল ক্যাম্পেইন বসিয়ে চিকিৎসা সেবা ও বিনামূল্যে ঔষুধ বিতরণ করে আসছে। আগামীতেও পর্যায়ক্রমে সব এলাকায় গিয়ে এ ধরণের চিকিৎসা প্রদান করা হবে বলে জানান তিনি।