খাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদজাতীয় সংসদ নির্বাচননির্বাচন বিবিধপাহাড়ের সংবাদশিরোনামস্লাইড নিউজ

ভাইবোনছড়ায় ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িতে আ’লীগের হামলায় আহত ৬

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: খাগড়াছড়ি জেলার ভাইবোনছড়ায় ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িতে ককটেল হামলা চালিয়েছে আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনী। হামলায় ৬ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো: আবু তালেব স্বাক্ষরিত এক প্রেসবার্তায় এ খবর জানানো হয়।

রোববার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৬ টার দিকে খাগড়াছড়ি-পানছড়ি প্রধান সড়কের ভাইবোনছড়া উন্নয়নবোর্ডের সামনে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িতে অতর্কিত ভাবে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন ও যুবলীগের সভাপতি ইয়াকুব আলীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগ, যুবলীগ, সেচ্চাসেবক লীগের ক্যাডার বাহিনী হামলা চালায়। হামলায় অংশ নেয় সন্ত্রাসী জাকির হোসেন, এমরান, কামরুল, আব্দুল আজিজ, আনোয়ার, ইউসুফ (ইসু), তোফাজ্জল, বাপ্পী, ইয়াসিন আল ফারুক, তহিদ, বাদু মারমা, মাইকেল মারমা, শীপন শীল ও নুরুদ্দিনসহ আরও ১০/১২ জন।

এসময় আহত হয়েছে জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, পৌর ছাত্রদলের সদস্য মনির হোসেন, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য বাপ্পী ত্রিপুরা, পৌর সেচ্চা সেবক দলের সদস্য রাসেল, যুবদল কর্মী মো. হারুন ও নির্বাচনী প্রচার গাড়ির (জিপ) চালক নুরনবী ড্রাইভার। আহতদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িতে এ নেক্কারজনক হামলার ঘটনায় নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ভূইয়া ফরহাদ ও খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য ও উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান ওয়াদুদ ভূইয়া। তারা নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িতে আওয়ামী লীগের হামলার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ভূইয়া ফরহাদ অভিযোগ করে বলেছেন, খাগড়াছড়িতে নির্বাচনী পরিবেশ আগে থেকেই অসমতল। লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি না করে আওয়ামী লীগ সরকার ভোটের তফসিল ঘোষণা করিয়েছে। এখন বিএনপি প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে নির্বাচনী প্রচারণায় এবং নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও মামলার ঘটনা চালানো হচ্ছে। তিনি অরও অভিযোগ করেন, এর আগেও জেলার মাটিরাঙ্গা, পানছড়ি, দীঘিনালা, রামগড়, মাকিছড়ি ও মহালছড়িসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচারণায় বাধা ও নেতাকর্মীদের উপর হামলা-মামলার ঘটনা ঘটেছে।

এসব ঘটনায় অভিযোগ দিলেও পুলিশ মামলা গ্রহণ করে না। উল্টো বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও গ্রেফতার করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে এসব বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও তারা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না। এসব সন্ত্রাসী কর্মকা- অব্যাহত থাকলে বিএনপির যে কোনো কঠিন সিদ্ধান্তের জন্য নির্বাচন কমিশন, সরকার ও প্রশাসনকে দায়ি থাকতে হবে।