খাগড়াছড়ি সংবাদপাহাড়ের সংবাদশিরোনামস্লাইড নিউজ

মিঠুন চাকমা নিহতের ঘটনায় ইউপিডিএফ’র নিন্দা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: ইউনাইডেট পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট ইউপিডিএফ’র (প্রসীত অংশ) খাগড়াছড়ি জেলা সাংগঠনিক সম্পাদককে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়েছে। নিহত মিঠুন চাকমা জুম্মা জেলা সদরের অপর্ণা কার্বারীপাড়ার মৃত স্বপন কিশোর চাকমার ছেলে। বুধবার (৩রা জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খাগড়াছড়ি সদরের সুইচ গেইট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নব্য মুখোশ বাহিনীর (ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক) সদস্যরা মিঠুনকে অপহরণের পর হত্যা করে পালিয়ে যায় দাবী করেছেন ইউপিডিএফ সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলার সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরা সাংবাদিকদের বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রতিপক্ষ ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) কে দায়ী করা হয়েছে।

আইন শৃংখলাবাহিনী ও পারিবারিক সূত্র মতে জানাযায়, ইউপিডিএফে (প্রসীত খীসা) অংশের অন্যতম সংগঠক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মিঠুন চাকমা দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খাগড়াছড়ি আদালতে হাজিরা দিয়ে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে এক দল সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাকে অপহরণ করে সুইচ গেইট এলাকায় নিয়ে তার পেটে ও মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। এরপর তাকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।

খাগড়াছড়ি ইউপিডিএফ‘র সাধারণ সম্পাদক রবি শংকর চাকমা এক বিবৃতিতে নব্য মুখোশ বাহিনী সন্ত্রাসী কর্তৃক ইউপিডএফ‘র সংগঠক মিঠুন চাকমাকে গুলি করে হত্যার ঘটনাকে ‘কাপুরুষোচিত, বর্বরোচিত ও ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ’ বলে মন্তব্য করে এর তীর্ব নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি অবিলম্বে হত্যাকারীদের আটক পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, ইতিপূর্বে রাঙামাটিতে দুই ইউপিডিএফ কর্মী ও সমর্থককে খুনের পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিহ্নিত হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় খুনীরা খোদ খাগড়াছড়ি শহরে খুন করার দুঃসাহস পাচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট এর ছাত্র সংগঠন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও পরবর্তীতে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম খাগড়াছড়ি জেলা শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। হিল উইমেন্স ফেডারেশন নেত্রী রীনা দেওয়ানের স্বামী মিঠুন চাকমা খাগড়াছড়ি সদর থানার বিস্ফোরক দ্রব্য আইন (জিআর ১৯১/১৪) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন (জিআর ১১৫/১৬)সহ একাদিক মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি।