খাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদপাহাড়ের সংবাদশিরোনামস্লাইড নিউজ

আনন্দ উল্লাস আর উৎসব মুখর পরিবেশে গুইমারা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রথম পুনর্মিলনী

স্টাফ রিপোর্টার: আনন্দ উল্লাস আর উৎসবমুখর পরিবেশে খাগড়াছড়ি জেলার ঐতিহ্যবাহী গুইমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রথম পুনর্মিলনী উৎসব আজ  অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১১টায় জাতীয় পতাকা ও পুনর্মিলনী উদযাপনের পতাকা উত্তোলন আর বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। এ উপলক্ষে শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। স্কুল প্রাঙ্গন থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রাটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় প্রবীন নবীন ছাত্র ছাত্রীরা নেচে গেয়ে শোভাযাত্রাকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

পরে গুইমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। বিশেষ অতিথি ছিলেন শরনার্থী পুনর্বাসন বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান, খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো: রাশেদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আলী আহমদ খান, আয়োজক কমিটির সভাপতি মেমং মারমা প্রমুখ।

প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, পার্বত্যাঞ্চল দেশের বোঝা নয়, সম্পদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সম্পদকে কাজে লাগানোর জন্য নানা মুখী পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। ইতিমধ্যে ৩ পার্বত্য জেলায় ২০টি কলেজ সরকারীকরণ, প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণ, প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয় স্থাপনসহ বাস্তবায়ন করছেন উন্নয়নের নানা প্রকল্প। তিনি স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের জন্য নিজেদেরকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহবান জানান। এসময় প্রধান অতিথি স্কুলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিয়ে একটি অত্যাধুনিক অডিটরিয়াম করার ঘোষনা দেন। অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণমুলক আড্ডার পাশাপাশি সন্ধ্যায় রয়েছে দেশবরেণ্য শিল্পীদের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দিনব্যাপী আয়োজিত আনন্দঘন প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬৩ সালে স্থানীয় বিদ্যুৎসাহীদের সহায়তায় গুইমারার ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যাপীঠ  প্রতিষ্ঠিত করা হয়।