• July 14, 2024

করোনা সচেতনতায় মানিকছড়িতে কঠোর নজরদারি

মো. ইসমাইল হোসেন: করোনা ভাইরাস প্রাদূর্ভাব মোকাবিলায় সরকারি ভাবে বিভিন্ন নির্দেশনা রয়েছে। আর সে সব নির্দেশনা মানতে প্রশাসনের কঠোঁর নজরদারী চলছে। রাস্তা-ঘাট, অলি-গলি জনমানব শূণ্য হয়েছে পড়েছে। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে রেব না হওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। দেশের কোথাও কোথাও নির্দিষ্ট সময়ের পর শুধু ঔষধের দোকান ছাড়া সব ধরণের দোকানপাট বন্ধ রাখার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী ক্রয়ের ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বাজায় রাখতে বলা হচ্ছে। তাছাড়া দোকান পটে ও রাস্তাÑঘাটে জনসমাগম এড়িয়ে চলতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সারা দেশের ন্যায় মানিকছড়িতেও চলছে প্রশাসনের কঠোর নজরদারী। যার ফলে রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার জনসমাগম চোখেই পড়ে না। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংঘঠন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করছে। উপজেলার কোথাও কোথাও স্থানীয়দের নিজস্ব উদ্যোগে এলাকা লগডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। বহিরাগত আগমনের খবর পেলেই স্থানীয়রা প্রশাসনকে অবগত করছেন।

মানিকছড়ি থানা পুলিশের পক্ষ থেকে অফিসার ইনচার্জ আমির হোসেন’র নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি টিম রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশ পাহাড়ার পাশাপাশি বহিরাগত আগম ঠেকাতে কঠোর নজরদারী অব্যহত রেখেছেন। কোথাও বহিরাগত আগমনের খবর পেলেই খোজ খবর নেয়া হচ্ছে। তাছাড়া যে সকল মধ্যবিত্ত পরিবার প্রকাশ্যে ত্রাণ সহায়তা নিতে সংকোচ প্রকাশ করছে তাদের মানিকছড়ি থানা পুলিশকে অবহিত করতে ও তাদের প্রদত্ত নাম্বারে যোগাযোগের জন্য বলা হচ্ছে এবং সে সকল পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় দোকানপাট বন্ধে নজরদারী করছে।
এছাড়াও কিছুক্ষণ পর পর সেনাবাহিনীর টহল চলমান রয়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে তাদের প্রচার-প্রচারণা শুরু থেকেই চলমান রয়েছে। বাজারে বাজারে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, মাস্ক বিতরণসহ সামাজিক দূরত্ব মানতে বাধ্য করছেন। জনসমাগম এড়িয়ে চলতে বলা হচ্ছে। প্রত্যন্তঞ্চলের পাদ দেশে পাড়া-মহল্লায় সেনাটহল অব্যহত রয়েছে। কোথাও তার ব্যপ্তি ঘটলে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছেন সেনাসদস্যরা।

তাছাড়া সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায় করতে মাঠে রয়েছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না মাহমুদ। এছাড়াও নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আসমা। দুজনেই নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছেন এবং যে সকল দোকানদার সরকারি নির্দেশনা অমান্য করছেন তাদের প্রাথমিক হুশীয়ারি করাসহ অর্থদন্ড করছেন। তাছাড়াও সরকরি ত্রাণ তহবিল হতে প্রাপ্য খাদ্য সামগ্রী গৃহবন্দী মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে। বিশ^ব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় উপজেলার শীর্ষ এ দুই কর্মকর্তা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল স্বরুপ ইতোমধ্যে উপজেলাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

পাহাড়ের আলো

https://pahareralo.com

সর্বাধিক জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল। সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে জানতে চোখ রাখুন পাহাড়ের আলোতে।

Related post