খাগড়াছড়িতে রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের বার্ষিক উৎসব

খাগড়াছড়িতে রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের বার্ষিক উৎসব

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের বার্ষিক উৎসব উপলক্ষে ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে জেলা সদরের পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এলাকায় প্রতাপ পাড়ায় এটি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ভোরে মঙ্গল আরতি, সকালে বিশেষ পূজা ও স্থানীয় শিল্পীরা ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। পরে ‘‘শ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রীমা সারদাদেবী ও স্বামী বিবেকানন্দের জীবনাদর্শ’র উপর ধর্মীয় আলোচনা সভা শুরু হয়। সভায় খাগড়াছড়ি রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সভাপতি ভূবন মোহন ত্রিপুরার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রী স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহারাজ বলেন, শুধু লেখাপড়ায় শিক্ষিত হলে হবে না, ধর্মীয় নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। সবার মাঝে ধর্মীয় নীতি আর্দশ ঠিক রাখতে হবে। খাগড়াছড়ি রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সকলের অংশগ্রহণমূলক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। অনুষ্ঠানে রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক জয় প্রকাশ ত্রিপুরার সঞ্চালনায়  সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএসএ’র ইয়র্ক কলেজ অব সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক এর সহযোগি অধ্যাপক রতন কুমার ধর, বাংলা একাডেমি পুরষ্কা প্রাপ্ত বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক প্রভাংশু ত্রিপুরা, চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সহ-সম্পাদক তাপস হোড়, চার্টার্ড একাউন্টেন্ড রত্না দত্ত, চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রমের সদস্য আশুতোষ সরকার, এস আলম গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক সুব্রত ভৌমিক। এসময় সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার সাধারণ ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, সৃষ্টিকর্তা এক। কিন্তু তার নাম অনেক। মত অনেক, তবুও আমরা সবাই মানুষ। আত্মা এক কিন্তু রক্তের গায়ে কোন ধর্মের নাম লেখা নেই তবুও আমরা সবাই মানুষ। মানুষে মানুষে কোন ভেদাভেদ নেই। কিন্তু আমরাই সেই ভেদাভেদ সৃষ্টি করি। যারা ধর্মের ভেতর প্রবেশ করেনি তারাই ভেদাভেদ সৃষ্টি করে। যারা নিজের ধর্মের ভেতর প্রবেশ করে তারা মানুষেমানুষে বিবেদ সৃষ্টি করতে পারে না। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, হিন্দু মুসলিম খ্রিস্টান বৌদ্ধ তুমি যা চাইবে সেই ধর্মের অনুসারী হতে পারবে। মানুষ তার নিজের আত্মা হারিয়ে ফেলেছে তাই ধর্ম নিয়ে বিবেদ সৃষ্টি করে। ধর্ম সমন্বয়ের এই কথা কাজে লাগাতে হবে। আমরা আমাদের সন্তানকে যদি সঠিক শিক্ষা দিতে পারি তাহলে আমাদের সমাজে সাম্প্রদায়িকতা থাকবে না। ধর্মীয় সভা শেষে খাগড়াছড়ির স্বনামধন্য ‘ধীনা ড্যান্স একাডেমি’র পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

ঠিকাদারের অবহেলায় ৫ বছরেও শেষ হয়নি মানিকছড়ি থানা কমপ্লেক্স ভবণ নির্মাণ কাজ
এসডিজি বাস্তবায়ন বিষয়ক মহালছড়িতে কর্মশালা
মানিকছড়িতে শিশুদের হাতে তাল গাছ রোপন

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের বার্ষিক উৎসব উপলক্ষে ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে জেলা সদরের পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এলাকায় প্রতাপ পাড়ায় এটি অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে ভোরে মঙ্গল আরতি, সকালে বিশেষ পূজা ও স্থানীয় শিল্পীরা ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। পরে ‘‘শ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রীমা সারদাদেবী ও স্বামী বিবেকানন্দের জীবনাদর্শ’র উপর ধর্মীয় আলোচনা সভা শুরু হয়। সভায় খাগড়াছড়ি রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সভাপতি ভূবন মোহন ত্রিপুরার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রী স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহারাজ বলেন, শুধু লেখাপড়ায় শিক্ষিত হলে হবে না, ধর্মীয় নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। সবার মাঝে ধর্মীয় নীতি আর্দশ ঠিক রাখতে হবে। খাগড়াছড়ি রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সকলের অংশগ্রহণমূলক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক জয় প্রকাশ ত্রিপুরার সঞ্চালনায়  সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএসএ’র ইয়র্ক কলেজ অব সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক এর সহযোগি অধ্যাপক রতন কুমার ধর, বাংলা একাডেমি পুরষ্কা প্রাপ্ত বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক প্রভাংশু ত্রিপুরা, চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের সহ-সম্পাদক তাপস হোড়, চার্টার্ড একাউন্টেন্ড রত্না দত্ত, চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রমের সদস্য আশুতোষ সরকার, এস আলম গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক সুব্রত ভৌমিক। এসময় সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার সাধারণ ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, সৃষ্টিকর্তা এক। কিন্তু তার নাম অনেক। মত অনেক, তবুও আমরা সবাই মানুষ। আত্মা এক কিন্তু রক্তের গায়ে কোন ধর্মের নাম লেখা নেই তবুও আমরা সবাই মানুষ। মানুষে মানুষে কোন ভেদাভেদ নেই। কিন্তু আমরাই সেই ভেদাভেদ সৃষ্টি করি। যারা ধর্মের ভেতর প্রবেশ করেনি তারাই ভেদাভেদ সৃষ্টি করে। যারা নিজের ধর্মের ভেতর প্রবেশ করে তারা মানুষেমানুষে বিবেদ সৃষ্টি করতে পারে না। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, হিন্দু মুসলিম খ্রিস্টান বৌদ্ধ তুমি যা চাইবে সেই ধর্মের অনুসারী হতে পারবে। মানুষ তার নিজের আত্মা হারিয়ে ফেলেছে তাই ধর্ম নিয়ে বিবেদ সৃষ্টি করে। ধর্ম সমন্বয়ের এই কথা কাজে লাগাতে হবে। আমরা আমাদের সন্তানকে যদি সঠিক শিক্ষা দিতে পারি তাহলে আমাদের সমাজে সাম্প্রদায়িকতা থাকবে না।

ধর্মীয় সভা শেষে খাগড়াছড়ির স্বনামধন্য ‘ধীনা ড্যান্স একাডেমি’র পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

COMMENTS