গাউছে মাইজভাণ্ডারীর মুখপত্র ‘লেওয়া-ই-আহমদী’র মোড়ক উন্মোচন

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: পাক ভারত উপমহাদেশের প্রখ্যাত সুফি সাধক, মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের অধ্যাত্ম শরাফতের প্রতিষ্ঠাতা এবং মাইজভাণ্ডারী তরিকার প্রবর্তক গাউস

ফটিকছড়ি ছাত্রসমাজের ব্যানারে ধর্ষন, ইভটিজিং ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন
খাগড়াছড়ির ৫শ শীতার্তের মাঝে জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্টের শীতবস্ত্র বিতরণ
ফটিকছড়ি পৌরসভা ও ধর্মপুর ইউনিয়নে বই বিতরণ

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: পাক ভারত উপমহাদেশের প্রখ্যাত সুফি সাধক, মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের অধ্যাত্ম শরাফতের প্রতিষ্ঠাতা এবং মাইজভাণ্ডারী তরিকার প্রবর্তক গাউসুল আজম হযরত মওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র ১১২-তম ওরশ উপলক্ষ্যে, গাউসুলআজম মাইজভাণ্ডারীর আদর্শবাহী সংগঠন, ১৯৪৯ সনে অছি-এ-গাউসুলআজম মাইজভাণ্ডারী মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী (ক.) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ‘আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী’ মুখপত্র ‘লেওয়া-ই-আহমদী’র মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান

গতকাল ২২ জানুয়ারী, সোমবার, গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলস্থ গাউসুলআজম মাইজভাণ্ডারীর দোয়ার মেহরাবে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম প্রকাশিত ‘মহান ১০ মাঘ স্মারক সংখ্যা’র মোড়ক উন্মোচন করেন দরবার-এ-গাউসুলআজম মাইজভাণ্ডারীর পরিচালনায় দায়িত্বে নিয়োজিত মোন্তাজেম, জিম্মাদার ও সাজ্জাদানশীন ও আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভাপতি আলহাজ্ব শাহসুফি ডাঃ সৈয়দ দিদারুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “খাতেমুল আউলিয়া গাউসুলআজম মাইজভাণ্ডারীর জন্মগ্রহণের পর স্বয়ং রাসুলে আকরাম (দ.) কর্তৃক তাঁর পিতার স্বপ্নযোগে ঘোষিত তাঁর পবিত্র নাম মোবারক ‘আহমদ উল্লাহ’ বা ‘স্রষ্টার উত্তম প্রশংসাকারী’র প্রশংসাবাণীর প্রচারক হিসেবেই লেওয়া-ই-আহমদীর আত্মপ্রকাশ। আমি আশা করি, তরিকতের মনগড়া ব্যাখ্যা, তথ্য ও ইতিহাস বিকৃতি, অতিরঞ্জিত উপস্থাপনের বিপজ্জনক প্রবণতার কারণে দ্বিধাগ্রস্ত ও দিকভ্রান্ত সত্যান্বেষী মানুষেরা এই প্রকাশনীর মাধ্যমে আলোর দিশা খুঁজে পাবে এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিকতার ফলশ্রুতিতে সূচিত অশোভন বাকযুদ্ধের বিপরীতে তথ্য, তত্ত্ব ও ইতিহাসের দলিলমূলে সত্যকে জানার সুযোগ অর্জনে সমর্থ হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নায়েব মোন্তাজেম শাহজাদা সৈয়দ হোসেইন রাইফ নুরুল ইসলাম (রুবাব), আঞ্জুমানের কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ মাহমুদুল হকসহ কেন্দ্র, দায়রা ও আঞ্চলিক শাখা সংগঠনের সদস্যবৃন্দ। লেওয়া-ই-আহমদীর সম্পাদক জনাব কাজী মোহাম্মদ মেজবাউল আলম বলেন, ‘ফিতনা-ফ্যাসাদের ভিড়ে মাইজভাণ্ডারী তরিকার প্রকৃত স্বরূপ বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে আঞ্জুমানের মুখপত্র লেওয়া-ই-আহমদী নিঃশঙ্ক ও আপোষহীন মনোভাব নিয়ে কাজ করে যাবে।’ সহযোগী সম্পাদক ডাঃ সৈয়দ হোসেইন সাইফ নিহাদুল ইসলাম বলেন, “ মাইজভাণ্ডারী তরিকার স্বরূপ উন্মোচক খাদেমুল ফোকরার আবরণে লুকায়িত সত্ত্বা সুলতানে সালতানাতে গাউসুলআজম শাহসুফি সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারীর উসুল ও আদর্শের অনুসরণে মাইজভাণ্ডারী শরাফতের সকল অনাচারের যৌক্তিক বিরুদ্ধাচারণের গুরুদায়িত্ব পালনে লেওয়া-ই-আহমদী সর্বদা সজাগ ও সক্রিয় ভূমিকা পালনে সচেষ্ট থাকবে।” আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারীর কেন্দ্রীয় মহাসচিব সৈয়দ মাহমুদুল হক ‘লেওয়া-ই-আহমদী’ প্রকাশিত হওয়ায় লেখকবৃন্দ, বিজ্ঞাপনদাতা, সম্পাদনা পরিষদ, আঞ্জুমানের কেন্দ্র ও বিভিন্ন শাখা সংগঠনের সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। পরিশেষে গাউসুলআজম মাইজভাণ্ডারীর রওজা-এ-পাকের খাদেম মাওলানা এনামের পরিচালনায় মিলাদুন্নবী ও তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া শেষে গাউসুলআজম মাইজভাণ্ডারীর দরবারে ‘লেওয়া-ই-আহমদী’র মকবুলিয়তের জন্য মোনাজাত করা হয়।