গুইমারায় মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা সুপার জায়নুল আবেদিনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানের সুপার জায়নুল আবদীনের প্রত

মহালছড়ি আবাসিক ছাত্রাবাসের ৪র্থ শ্রেনী কর্মচারীর জীবন কাটছে নানা কষ্টে
খাগড়াছড়িতে পুলিশের বাধায় বিএনপির মানববন্ধন,শর্ত একটাই খালেদা জিয়ার মুক্তি
খাগড়াছড়িতে ফের আগুন: পুড়ে ছাই ৫ বসতঘর

স্টাফ রিপোর্টার: গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা সুপার জায়নুল আবেদিনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানের সুপার জায়নুল আবদীনের প্রতিহিংসা ওস্বেচ্ছাচারিতার কারণে ২০১৯ সালের শিক্ষার্থী দাখিল পরিক্ষার ফরম পুরণ করতে না পেরে শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পড়ার টেবিল ছেড়ে অনাগত ভবিষ্যৎ জীবন এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। অভিযোগ রয়েছে ২০১৯সালের দাখিল পরীক্ষার্থী নুরুন নবীর বিরুদ্ধে প্রেম করার অভিযোগ এনে বিগত ১৬মে কৌশলগত ভাবে বহিস্কার করানো হয়। মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সহ অন্যান্য সদস্যরা বেশ কয়েকবার বৈঠক করলেও কোনো সুরাহা হয় নি।

শিক্ষার্থী নুরুন নবীর মা জানান, ভাড়া বাসায় পাশাপাশি বসবাস করেন। মাদ্রাসার সুপারের স্ত্রীর রামগড়ে বেড়াতে গেলে রাত ৯টায় সুপার পানি নিয়ে তার ঘরে অনৈতিক উদ্দেশ্যে ডেকেছেন। ইতিপূর্বে তার স্ত্রীর সাথে ও মনোমালিন্য ছিলো তার। এসবের জের ধরে নানান অজুহাতে সুপার গরিব বলে তাদের হয়রানি করছে। নির্বাচনী পরীক্ষার সময় ২হাজার ৬০০টাকা দিয়ে অংশগ্রহণ করতে দিলেও ফরম ফিলাপ’র নামে আরো ৪হাজার ২৪০টাকা দাবী করছে। অসহায় মা দাবিকৃত টাকা দিতে না পেরে ঘুরছেন পরিচালনা কমিটির কর্তা ব্যক্তিদের দরজায়।

এলাকার বাসিন্দা পলাশ চৌধুরী জানান, সরকারী নিয়মকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের থেকে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে মাদ্রাসার সুপার। তাঁর প্রতিবেশী গরীব শিক্ষার্থীর জন্য অনেক তদবির করেছেন কিন্তু সুপার সরকারী নয় নিজের নিয়মে কাজ করায় দুঃখ প্রকাশ করেন।অনেক শিক্ষার্থী, অভিভাবকের অভিযোগ শুনে অনিয়ম পরিহারের অনুরোধ করেছেন কিন্তু সুপার কোন কর্নপাত করেনি। তিন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে এমন শিক্ষার্থীদের তিনি অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বাড়তি র্মাক দেওয়ার অভিযোগ করেন পলাশ চেীধুরী।

গুইমারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গির আলম বলেন, যত সমস্যাই হোক ফরমফিলাপ করেত দেয়া উচিত। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসা সুপার জায়নুল আবদীন বলেন, ৪হাজার ২৪০টাকার নিয়েছি স্বীকার করে আমারন কিছ্ হবে না বলে সাংবাদিকদের বলেন। এবিষয়ে গুইমারা উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, বাড়তি টাকা নেওয়ার বিষয়টি তিনি জেনেছেন এবং সুপার সত্যতা স্বিকার করেছেন তবে নানান খাতও দেখিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন আইনগত ব্যবস্থা তিনি নেননি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত এসএসসি বিজ্ঞান ১হাজার ৭৩৫ টাকা এবং মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ ১হাজার ৫৫৫টাকা। এছাড়াও মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে এর আগের পরীক্ষাগুলোতেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তবে বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেনে সচেতন মহল।