দীঘিনালায় নির্বাচনী কার্যালয় ব্যবহার নিয়ে উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

আল আমিন, দীঘিনালা: দীঘিনালা উপজেলায় ‘হাচিনসনপুর যুব সংঘ’ নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠনকে বিএনপি’র নির্বাচনী কার্যালয় ব্যবহার করা নিয়ে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির

পাহাড়ে বৈসাবি উৎসব: ‘করোনা’ আতংকে শহর ছেড়ে গ্রামে
উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কান্তি চাকমা’র আমন্ত্রণে ৩ শতাধিক ভিক্ষুর অংশগ্রহনে পারিবারিক ধর্মীয় অনুষ্ঠান
লক্ষ্মীছড়িতে অটিজম বিষয়ক দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন

আল আমিন, দীঘিনালা: দীঘিনালা উপজেলায় ‘হাচিনসনপুর যুব সংঘ’ নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠনকে বিএনপি’র নির্বাচনী কার্যালয় ব্যবহার করা নিয়ে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার দুপুরে নৌকা প্রতীকে পোস্টার লাগানো নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনার পর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানাযায়, দীঘিনালা উপজেলার হাচিনসনপুর এলাকায় স্থানীন কয়েক যুবক ‘হাচিনসনপুর যুব সংঘ’ নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে। পরে উপজেলা উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয় থেকে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হয়। এরপর থেকেই হাচিনসনপুর যুব সংঘ বিভিন্ন সমাজ সেবা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে আসছে। গত কয়েক দিন আগে সংগঠনের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি ছাড়াই বিএনপির কিছু কর্মী ধানের শীষ প্রতীকে পোস্টার টাঙ্গিয়ে নির্বাচনী কার্যালয় উদ্ধোধন করে। পর থেকেই শুরু হয় উত্তেজনা।

এব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো. নুরুল আবছার মোন্নাফ জানান, প্রতিষ্ঠানটি আমরাসহ প্রতিষ্ঠা করি। বিএনপির আমলেই কাচাঘর থেকে পাকা করা হয়। কোন সময় কেহ বাধা দেয়নি। আমরা ধানের শীষের কার্যালয় চালু করার পর, আজ(শনিবার) কার্যালয়ের চারদিকে কে বা কারা নৌকা মার্কার পোস্টার লাগিয়ে দিয়েছে। হাচিনসনপুর যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন জানান, আমরাই অরাজনৈতিক সংগঠনটি চালু করেছি। আমি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আমি সাধারণ সম্পাদক পদের দায়িত্ব পালন করে আসছি। তবে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয় ব্যবহার করা নিয়ে আমার সাথে কোন প্রকার আলোচনা হয়নি।

হাচিনসনপুর যুব সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. আমানুল ইসলাম জানান, গত ২০০১ সনে আমাদের এই অরাজনৈতিক সংগঠনটি সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে তালিকা ভুক্ত হয়। যার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ‘খাগড়া/১৯৮। কিন্তু বিএনপির কর্মীরা আমাদের কারো সাথে কোন প্রকার কথা বলেই অফিসের তালা ভেঙ্গে বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয় হিসেবে চালু করেছে।

দীঘিনালা থানার এসআই মো. মোবারক হোসেন জানান, উত্তেজনা এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে দুপক্ষকে শান্ত থাকার আহবান জানিয়েছি। তবে অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।