নগর বিএনপির সভাপতি ডা.শাহাদাত হোসেনসহ কমপক্ষে ১৫ জন আটক

চট্টগ্রাম অফিস: বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নগর বিএনপির কার্যালয় নাসিমন ভবনের সামনে অবস্থান নেওয়া নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুল

চট্টগ্রাম-৭ নির্বাচনী মাঠে সরব আওয়ামীলীগ, কৌশলে এগোচ্ছে বিএনপি
রাজস্থলীতে অবৈধ সেগুন কাঠ উদ্ধার
শেষ প্রচারণায়ও দেখা যায়নি নাজিরহাট পৌর আ’লীগকে

চট্টগ্রাম অফিস: বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নগর বিএনপির কার্যালয় নাসিমন ভবনের সামনে অবস্থান নেওয়া নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। অবরুদ্ধ নাসিমন ভবনের সামনে পুলিশকে লক্ষ্য করে নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল ছুঁড়লে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। পুলিশ নাসিমন ভবনের ভেতরে ঢুকে নগর বিএনপির সভাপতি ডা.শাহাদাত হোসেনসহ কমপক্ষে ১৫ জনকে আটক করেছে। এছাড়া নগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ানসহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

এদিকে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ছোঁড়া ঢিলে ১০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।  তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিতসা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.জসিম উদ্দিন।  বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে জিয়া এতিমখানা দুর্নীতির মামলায় বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার জজ আদালতে রায় ঘোষণা হবে।  রায়ের পর নাশকতার আশঙ্কায় সকাল থেকেই নাসিমন ভবন অবরুদ্ধ করে রাখে পুলিশ। তবে নগর বিএনপির সভাপতি ডা.শাহাদাৎ হোসেন ও সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সুফিয়ানসহ সিনিয়র কয়েকজন নেতা তাদের অনুসারী কর্মীদের নিয়ে নাসিমন ভবনের ভেতরে অবস্থান নেন। সেখানে অবস্থান করে দেখা গেছে, দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে ডা.শাহাদাতসহ অন্য নেতারা নাসিমন ভবনের ফটকের সামনে এসে অবস্থান নেন।  এসময় মহিলা দলের এক নেত্রী এক পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দেয়।  তখন পুলিশ মহিলা দলের কয়েকজন নেতাকর্মীকে কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

পুলিশ লাঠিচার্জ করে ডা.শাহাদাত হোসেনকে আটকের চেষ্টা করে।  এসময় নেতা-কর্মীরা পালিয়ে গেলে ডা.শাহাদাতকে নাসিমন ভবনের ভেতরে ঢুকিয়ে দেন পুলিশ।  সেখানেই তারা অবস্থান করছিল।  নাসিমন ভবনের সামনের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নুর আহম্মদ সড়কের উত্তর পশ্চিম পাশ থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে কয়েকজন বিএনপি কর্মী।  তখন পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে দুইজনকে আটক।  দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে কার্যালয়ের ভেতরে গিয়ে শাহাদাতসহ কমপক্ষে ১০ জনকে আটক করে ভ্যানে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।  এসময় পালাতে গিয়ে বেশ কয়েজন নেতা-কর্মী আহত হন। এর আগে মহিলা দলের নেত্রী আঁখি সুলতানাসহ আরও কমপক্ষে ৫ জনকে আটক করা হয়।