চট্টগ্রাম সংবাদফটিকছড়িশিরোনামস্লাইড নিউজ

নাজিরহাট-কাজিরহাট ১৬ কি. মি. সড়কে দূর্ভোগ লাঘব হবে কি?

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: সড়ক নয়, যেন একেকটি আস্ত পুকুর। স্কুল কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্র, নিত্য প্রয়োজনে হাট-বাজার ও অফিস-আদালতে যেতে প্রতিনিয়ত হিমসীম খাচ্ছে। এমনই দৃশ্য চোখে পড়বে উত্তর চট্টগ্রামের নাজিরহাট-কাজিরহাট- ১৬ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে।

ভূক্তভোগীরা জানান, সংষ্কারের অভাবে সড়কের অবস্থা বর্তমানে এতটাই শোচনীয় রুপ নিয়েছে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকে। এটিকে দেখে মনে হবে, সড়ক নয় এ যেন পুকুর। খানা খন্দকে ভরা, ভাঙাচোরা এই সড়কে চলাচলরত যানবাহন, চালক ও যাত্রী, পথচারী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও দুর্ভোগের শেষ নেই। বৃষ্টির পানিতে সড়কটি যখন পুকুরের আকার নেয় তখন তা পরিণত হয় মৃত্যু ফাঁদে। এলাকার সাধারণ মানুষের অভিযোগ দূর্ভোগ দেখেও নজর দিচ্ছেন না নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। দীর্ঘ এ সড়কটির নাজিরহাট কলেজ গেইট, মহেশ্বরী মোড়, ব্রিক ফিল্ড, সুয়াবিল টেকের দোকান, চুরখাঁহাট, বৈদ্যরহাট, হারুয়ালছড়ি নয়াহাট বাজার এলাকার অবস্থা রীতিমতো ভয়াবহ। এসব এলাকায় সড়কের পিচ অনেক আগেই ওঠে গিয়ে সেখানে বিশাল বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছে।

সুয়াবিল ইউনিয়নের আওয়ামীলীগকর্মী মো. মহিউদ্দিন জানান, এই সড়কটির জন্য পুরো সুয়াবিলবাসী চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। আমরা সরকারের প্রতিটি দপ্তরে এব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আবেদন করেছি।

নাজিরহাট পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. জয়নাল আবেদিন জানান, আমি পৌর এলাকার বাসিন্ধা হলেও একটি সড়করের দূর্ভোগের কারণে আমার এলাকার জনসাধারণকে শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা সহ সকল কাজে ৮/১০ মাইল ঘুরে ফটিকছড়ি সদর ও নাজিরহাট পৌরসভায় যেতে হয়।

সুয়াবিল ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবু তালেব এই সড়কে জনদূর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, সড়কটি সংষ্কারের জন্য প্রতিনিয়ত তদবির করেই যাচ্ছি। লক্ষ লক্ষ মানুষের নির্ভরতার একমাত্র সড়কটি খুবই নাজুক অবস্থায় আছে।

এ ব্যাপারে ফটিকছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী এস এম হেদায়েত বলেন, এই সড়কটি মেরামতের জন্য প্রতিদিন এলাকাবাসীর দূর্ভোগের কারণে ১৬ কিলোমিটার সড়ককে তিন ভাগ করে দুই ভাগে আট কোটি টাকার দরপত্র অাহবান করা হয়েছে। এক ভাগে ঠিকাদার নিয়োগ হয়েছে। অপর এক ভাগে চার কোটি টাকা অনুমোদন হয়েছে।