পর্নোগ্রাফি মামলায় গ্রেফতার হলো আলোচিত পরকিয়ার নায়িকা ময়না

শাহ আলম রানা, গুইমারা মা নিজ গর্ভজাত শিশু কন্যাকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ২সন্তানের জনক পরকিয়া প্রেমিক পুরুষ দ্বারা ধর্ষণে সহযোগীতা করা ও সে দৃশ্য মুঠো ফোন

মানিকছড়িতে সেপটি টাংকিতে পরে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু
নানিয়ারচর থেকে নিখোঁজ রায়হান লক্ষীছড়িতে উদ্ধার
রামগড়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

শাহ আলম রানা, গুইমারা মা নিজ গর্ভজাত শিশু কন্যাকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ২সন্তানের জনক পরকিয়া প্রেমিক পুরুষ দ্বারা ধর্ষণে সহযোগীতা করা ও সে দৃশ্য মুঠো ফোনে ভিডিও ধারণ করার ঘটনা কাল্পনিক মনে হলেও এমন একটি বাস্তব ঘটনা এখন খাগড়াছড়ির র গুইমারার সর্বত্র “টক অব দ্যা টাউন”। আলোচিত এ শিশু ধর্ষণেরর ঘটনায় ধর্ষিত শিশুর পিতার দায়ের করা মামলায় ধর্ষক শ্যাম প্রসাদ বনিক ইতিমধ্যে গ্রেফতার হলেও সহযোগী শিশুর আপন মা এতদিন ছিল ধরা ছোঁয়ার বাহিরে।

অবশেষে গুইমারা,র আলোচিত পরকিয়ার নায়ক শ্যাম প্রসাদ বনিকের নায়িকা সাহেদা আক্তার ময়নাকে গ্রেফতার করেছে গুইমারা থানা পুলিশ।
গতকাল নির্যাতিত শিশুর পিতা ও সাহেদা আক্তার ময়নার সাবেক স্বামী জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় (যার নং ০২/১৩ তারিখ ১৭/০৮/২০২০)। ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের ৮(১)/৮(২)/৮(৩)/৮(৭) ধারায় মামলা রেকর্ড করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা(আইও) এস আই আল আমিনের গতরাতেই অভিযান চালিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের বাজারপাড়া এলাকায় শাহিদা আক্তার ময়নার পিত্রালয় থেকে জেলা পুলিশের সহায়তায় গ্রেফতার করে গুইমারা থানায় নিয়ে আসে।

মামলার আই ও এস আই আল আমিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ২জনকে আসামী করে অভিযোগ দেওয়ার সাথে দ্রুত মামলা করে একজনকে আসামি গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আরেকজন মামলার প্রধান আসামী ইতিমধ্যে ধর্ষন মামলায় জেলখানায় আটক রয়েছে তাকে শ্যোন এরেস্ট দেখানো হবে।
মামলার বাদী জাহাংগীর আলম সন্তোষ প্রকাশ করে গুইমারা থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন আইন ও প্রশাসনের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে আশা করি সঠিক বিচারটা পাব।

উল্লেখ্য, এলাকাবাসীর মুখে বহুল প্রচারিত আছে শ্যাম প্রসাদ ও সাহেদ্ আক্তার ময়নার পরকিয়ার বলি হয়ে মৃত্যু বরন করতে হয়েছে উচাইরি মারমা এবং ধর্ষিত হতে হয়েছে জাহাঙ্গীরের শিশু কন্যাকে।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় মুল দুই আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকাবাসী খুশি। এদের দৃষ্টান্তুলক বিচার দেখতে চাই গুইমারাবাসী।