প্রশাসনিক দ্বন্দের জের: মানিকছড়ি থানার ওসি স্ট্যান্ড রিলিজ

স্টাফ রিপোর্টার: খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাইনুদ্দিন খানকে বান্দরবান জেলায় স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। ২২ জানুয়ারি বিকে

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল
সাংবাদিকরাই সত্য প্রকাশ করে সমাজের আমূল পরিবর্তন আনতে পারে- গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার
লক্ষ্মীছড়ির দুর্গম মধ্যপাড়া পরিদর্শনে গেলেন ইউএনও মো: ইয়াছিন

স্টাফ রিপোর্টার: খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাইনুদ্দিন খানকে বান্দরবান জেলায় স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। ২২ জানুয়ারি বিকেলে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি এসএম মনিরুজ্জামান এক আদেশে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। মানিকছড়ি থানার পরিদশক (তদন্ত)তালাত মাহমুদকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। খবওে প্রকাশ, মানিকছড়ি উপজেলায় জন প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তিন শীর্ষ কর্মকর্তার মাঝে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চরমাকার ধারন করে। একের পর এক ঘটনা ঘটতে থাকে। অবনতি হয় আইন-শঙ্খলা পরিস্থিতির।

সুত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৯ নভেম্বর খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি ও চট্রগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি সীমান্তবর্তী নয়াবাজার এলাকায় ফরেনার্স চেকপোষ্ট এর উদ্ধোধন করা হয়। ফরেনার্স চেকপোষ্ট এর একটি অংশে পুলিশ থাকবে এবং অন্য আরেকটি অংশে প্রশাসনের লোক থাকার কথা। কিন্তু কিছুদিন যাবার পর মানিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাইনুদ্দিন খান প্রশাসনের লোকজন থাকার অংশের চাবি চাইলে দিতে অস্বীকৃতি জানান মানিকছড়ির ইউএনও আহসান উদ্দিন মুরাদ। বিরোধ সৃষ্ট এখান থেকেইই। এর পর ১৬ডিসেম্বর বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানেও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বক্তৃতা না দিয়ে মাইক সরিয়ে দেন মানিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মাইনুদ্দিন খান। এই ঘটনার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান উদ্দিন মুরাদ বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারকে অবগত করেন। গত ১০জানুয়ারী রাতে ওসি মাইনুদ্দিন খানের হাতে মানিকছড়ি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার তৌফিকুল ইসলাম নাজেহাল হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়টিও এখন মানিকছড়ি উপজেলার সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা।

গত শনিবার মানিকছড়ি রানী নীহার দেবী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা রাস্তায় বিক্ষোভ করে। তারা প্রধান শিক্ষক তোফাজ্জল আহম্মদকে ইউএনও লাঞ্চিত করার অভিযোগে ৪৮ঘন্টার মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান উদ্দিন মুরাদের অপসারণ দাবী করে।

অভিযোগ ওঠে এই ঘটনার পিছনেও রয়েছে ওসি মাইনুদ্দিনের হাত । নানাভাবে একটি গ্রুফকে সংঘবদ্ধ করে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে ইউএনওর বিরূদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ করানো হয়েছে। তাছাড়া ওসি মাইনুদ্দিন খানের সাথে সহকারী পুলিশ সুপারের বিরোধের বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। শুরু হয় তদন্ত।