খাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদপাহাড়ের সংবাদমানিকছড়িশিরোনামস্লাইড নিউজ

‘প্রেরণা’ স্বপ্নদষ্টা ইমরান‘র জন্মদিনের ভালোবাসায় পথ শিশুরা

মানিকছড়ি প্রতিনিধি: মানিকছড়ি উপজেলার উদীয়মান তরুণ খেলেয়াড় মো. ইমরান হোসেন ইমন’র ১৯ আগস্ট ২২তম জন্মবার্ষিকী। আধুনিক যুগের এ প্রজন্ম’রা জন্মদিনে উৎসব পালনে হই হুল্লর করতে কতই না ভালোবাসে। কিন্তু একটু ব্যত্ক্রিম ভাবে এবার জন্মবার্ষিকী পালন করলেন মানবিক সংগঠন‘প্রেরণা’র এই স্বপ্নদষ্টা ‘ইমন’। তিনি ঢাকার বাড্ডার পাশে মানিকনগরে অবস্থিত পথশিশু’দের নিয়ে প্রতিষ্ঠিত মজার স্কুলের দেড়শত শিক্ষার্থীদের মাঝে কেক, ডিম খিচুরী খাইয়েছেন। এছাড়া দু’শত পিস উন্নত মানের সার্জিক্যাল মাস্ক ও দু’শত পিস হ্যান্ড গ্লাভস তুলে দিয়েছেন পথশিশুদের হাতে।

জানা গেছে, খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার হাজীপাড়া গ্রামে অতি সাধারণ পরিবারে জন্ম নেয়া কলেজ পড়য়া শিক্ষার্থী মো. ইমরান হোসেন ইমন একজন ক্রীড়াবিদ। সে উপজেলা তথা জেলা এবং বিভাগীয় শহর চট্টগ্রামেও বেশ সুনামের সহিদ ভালো ফুটবল ও ক্রিকেট খেলে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। খাগড়াছড়ি জেলার প্রতিনিধি হয়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন ছিল শখের পেশা। সম্প্রতিকালের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৈশ্বিক মহামারী ‘করোনা’ কালে খাদ্য সংকটে পড়া শিশু-কিশোর ও বয়োঃবৃদ্ধ মা’দের পাশে ত্রাণ-সহায়তা নিয়ে দাঁড়াতে নিজের অর্জিত পদক বিক্রি করতে দ্বিধা করেনি ইমন! অভাবগ্রস্ত মানবের পাশে দাঁড়াতে গঠন করেছেন ‘প্রেরণা’ নামক একটি মানবিক সংগঠন। ফলে উপজেলার শতশত দরিদ্র পরিবারে ত্রাণ-সহায়তা, শাক-সবজি বিতরণ ও বয়োঃবৃদ্ধ মা’দের মুখে খাবার ও বস্ত্র দানে নজির সৃষ্টি করেছেন এই উদীয়মান তরুণ কিশোর ইমন।

১৯ আগস্ট ছিল ইমনের ২২তম জন্মবার্ষিকী। ফলে শুভ দিনটি পালনে নতুন চমক দেখিয়েছেন মো. ইমরান হোসেন ইমন। তিনি ঢাকার বাড্ডা অদূরে মানিকনগরের একটি পথশিশু’র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মজার স্কুলে দেড়শত এতিম শিক্ষার্থীকে কেক, ডিম খিচুরী খাইয়েছেন। এছাড়া দু’শত পিস উন্নত মানের সার্জিক্যাল মাস্ক ও দু’শত পিস হ্যান্ড গ্লাভস তুলে দিয়েছেন পথশিশুদের হাতে।

এ প্রসঙ্গে মো. ইমরান হোসেন ইমন বলেন, সমাজে অবহেলিতরা পদে পদে লাঞ্চনার বঞ্চনার শিকার হচ্ছে! ওদের মুখে একটু হাসি ফোঁটাতে পারলে মন ভরে যায়। তাই নিজের আনন্দটুকু পথশিশু’র মাঝে বিলিয়ে দিতেই একটু ক্ষুদ্র চেষ্ঠা মাত্র! আমি পথশিশু ও অসহায়দের পাশে থাকতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করি।