ব্যাটালিয়নে যুক্ত হচ্ছে বিশেষ ও হিল আনসার

ব্যাটালিয়নে যুক্ত হচ্ছে বিশেষ ও হিল আনসার

পাহাড়েরে আলো ডেস্ক: বিশেষ ও হিল আনসারদের ব্যাটালিয়ন আনসারে যুক্ত করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশেষ আনসার সদস্যরা গত

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কাপ্তাইয়ে বাঁশ পাচার চলছে, বাঁশ শিল্প হুমকির মুখে
সৌদিআরবে রাঙ্গুনিয়ার প্রবাসী হত্যার ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুদন্ড
আর্ত মানবতার সেবার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব

পাহাড়েরে আলো ডেস্ক: বিশেষ ও হিল আনসারদের ব্যাটালিয়ন আনসারে যুক্ত করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশেষ আনসার সদস্যরা গত ২৩ বছর এবং হিল আনসার সদস্যরা ৩৬ বছর ধরে অস্থায়ীভাবে দৈনিক মজুরিভিত্তিতে কাজ করে আসছেন। অবশেষে ‘বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে’ তাদের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে এ চিঠি দেওয়া হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। অসংখ্য চিঠি চালাচালির পর গত ১৯ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে দ্রুত মতামত দিতে অনুরোধ জানানো হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে। কর্মরত বিশেষ আনসার ও হিল আনসারদের ব্যাটালিয়ন আনসার হিসেবে আত্মীকরণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একইসঙ্গে ব্যাটালিয়ন আনসারদের চাকরি স্থায়ীকরণের বিষয়টিও শূন্য বছরে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের বিষয়টি ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। বিদ্যমান আইনে ব্যাটালিয়ন আনসারদের চাকরি স্থায়ীকরণ করা হয় যোগদানের ছয় বছর পর।

উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের উৎপাত চরম আকার ধারণ করেছিল। এ পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর যৌথ অভিযানেও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া যাচ্ছিল না তাদের। পরে ১৯৯৯ সালে সাধারণ ক্ষমা ও পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়ে তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে চরমপন্থীদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। তখন বিভিন্ন গ্রুপের দুই হাজার ১২৬ জন চরমপন্থী সদস্য অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করে। যাচাই-বাছাই শেষে যাদের বিরুদ্ধে কোনও ফৌজধারী অভিযোগে মামলা ছিল না, তাদের মধ্য থেকে ৭৬৫ জনকে অস্থায়ীভাবে ‘বিশেষ আনসার’ হিসেবে নিয়োগ দিয়ে পুনর্বাসন করা হয়। কিছুদিনের মধ্যে আবার কেউ কেউ চাকরি ছেড়ে পালিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনীতে যোগ দেয়। গত ২৩ বছর যাবত ৪৩৯ জন ‘বিশেষ আনসার’ সদস্য পুলিশের সঙ্গে বিভিন্ন থানায় কাজ করে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে, পাহাড়ি জনপদের নিরাপত্তায় ১৯৮৬ সাল থেকে বিভিন্ন বাহিনীর সঙ্গে অস্থায়ীভাবে কাজ করছেন ৬০০ হিল আনসার সদস্য। সরকারপ্রধানের প্রতিশ্রুতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা থাকলেও তাদের চাকরিও স্থায়ী কিংবা নিয়মিত হয়নি গত ৩৬ বছরে। যুগের পর যুগ তারা আনসার সদর দফতর, স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দফতরে ঘুরে চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য আবেদন জানিয়ে আসছিলেন। রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় কর্মরত বিশেষ আনসার সদস্য আবদুল আলীম বলেন, তারা আর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে চান না। তারা চান, দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে চাকরি স্থায়ীকরণ করে তাদের প্রতি মানবিক আচরণ করা হোক।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি আনসার একাডেমিতে আনসার সদস্যদের এক দরবারে বিশেষ আনসার ও হিল আনসার সদস্যদের চাকরি স্থায়ীকরণের বিষয়টি মানবিক কারণে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আকারে উত্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশেষ আনসার ও হিল আনসারদের চাকরি স্থায়ীকরণে চাকরি বিধিমালার নিয়োগনীতিতেও একবারের জন্য শর্ত শিথিল করে দেন রাষ্ট্রপতি। এরপরও তাদের ভাগ্যের চাকা ঘোরেনি এতদিনেও। কয়েক বছর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়ার কারণে বিষয়টি পিছিয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরও বিষয়টির সুরাহা না হওয়ায় বিশেষ ও হিল আনসার সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ ও হতাশা বিরাজ করছে বলে জানা যায়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠানো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাহিদা বারিক স্বাক্ষরিত সর্বশেষ চিঠিতে বলা হয়, ব্যাটালিয়ন আনসার প্রবিধানমালা-১৯৯৬ অনুসারে আনসার বাহিনীতে অঙ্গীভূতকরণের নির্ধারিত যোগ্যতার শর্তগুলো একবারের জন্য প্রমার্জন করতে হবে। ৬০০ জন হিল আনসার ও ৪৩৯ জন বিশেষ আনসারসহ ১০৩৯ জন আনসার সদস্যের মধ্যে বর্তমানে কর্মরত ৯৯১ জনকে ব্যাটালিয়ন আনসারের শূন্য পদে স্থায়ী বা নিয়মিতকরণের জন্য প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি থেকে গত সেপ্টেম্বর সুপারিশ করা হয়। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের আরোপিত শর্তগুলোর একটি হচ্ছে– আনসার বাহিনীতে অঙ্গীভূতকরণের নির্ধারিত যোগ্যতার শর্তসমূহ একবারের জন্য প্রমার্জন করে কর্মরত ৬০০ হিল আনসার ও ৪৩৯ জন বিশেষ আনসারকে ব্যাটালিয়ন আনসারের শূন্যপদে স্থায়ী কিংবা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি ‘ব্যাটালিয়ন আনসার প্রবিধানমালা-১৯৯৬’ এ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিশেষ ও হিল আনসারদের ব্যাটালিয়ন আনসারে আত্মীকরণের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, মানবিক কারণেই প্রধানমন্ত্রী তাদের আত্মীকরণের বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আশা করি দ্রুত এই বিষয়টির সমাধান করতে পারবো।

বিশেষ ও হিল আনসারদের ব্যাটালিয়ন আনসারে যুক্ত করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশেষ আনসার সদস্যরা গত ২৩ বছর এবং হিল আনসার সদস্যরা ৩৬ বছর ধরে অস্থায়ীভাবে দৈনিক মজুরিভিত্তিতে কাজ করে আসছেন। অবশেষে ‘বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে’ তাদের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে এ চিঠি দেওয়া হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। অসংখ্য চিঠি চালাচালির পর গত ১৯ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে দ্রুত মতামত দিতে অনুরোধ জানানো হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে। কর্মরত বিশেষ আনসার ও হিল আনসারদের ব্যাটালিয়ন আনসার হিসেবে আত্মীকরণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একইসঙ্গে ব্যাটালিয়ন আনসারদের চাকরি স্থায়ীকরণের বিষয়টিও শূন্য বছরে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের বিষয়টি ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। বিদ্যমান আইনে ব্যাটালিয়ন আনসারদের চাকরি স্থায়ীকরণ করা হয় যোগদানের ছয় বছর পর।

উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের উৎপাত চরম আকার ধারণ করেছিল। এ পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর যৌথ অভিযানেও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া যাচ্ছিল না তাদের। পরে ১৯৯৯ সালে সাধারণ ক্ষমা ও পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়ে তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে চরমপন্থীদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। তখন বিভিন্ন গ্রুপের দুই হাজার ১২৬ জন চরমপন্থী সদস্য অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করে। যাচাই-বাছাই শেষে যাদের বিরুদ্ধে কোনও ফৌজধারী অভিযোগে মামলা ছিল না, তাদের মধ্য থেকে ৭৬৫ জনকে অস্থায়ীভাবে ‘বিশেষ আনসার’ হিসেবে নিয়োগ দিয়ে পুনর্বাসন করা হয়। কিছুদিনের মধ্যে আবার কেউ কেউ চাকরি ছেড়ে পালিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনীতে যোগ দেয়। গত ২৩ বছর যাবত ৪৩৯ জন ‘বিশেষ আনসার’ সদস্য পুলিশের সঙ্গে বিভিন্ন থানায় কাজ করে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, পাহাড়ি জনপদের নিরাপত্তায় ১৯৮৬ সাল থেকে বিভিন্ন বাহিনীর সঙ্গে অস্থায়ীভাবে কাজ করছেন ৬০০ হিল আনসার সদস্য। সরকারপ্রধানের প্রতিশ্রুতি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা থাকলেও তাদের চাকরিও স্থায়ী কিংবা নিয়মিত হয়নি গত ৩৬ বছরে। যুগের পর যুগ তারা আনসার সদর দফতর, স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দফতরে ঘুরে চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য আবেদন জানিয়ে আসছিলেন। রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় কর্মরত বিশেষ আনসার সদস্য আবদুল আলীম বলেন, তারা আর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে চান না। তারা চান, দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে চাকরি স্থায়ীকরণ করে তাদের প্রতি মানবিক আচরণ করা হোক।
সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি আনসার একাডেমিতে আনসার সদস্যদের এক দরবারে বিশেষ আনসার ও হিল আনসার সদস্যদের চাকরি স্থায়ীকরণের বিষয়টি মানবিক কারণে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব আকারে উত্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশেষ আনসার ও হিল আনসারদের চাকরি স্থায়ীকরণে চাকরি বিধিমালার নিয়োগনীতিতেও একবারের জন্য শর্ত শিথিল করে দেন রাষ্ট্রপতি। এরপরও তাদের ভাগ্যের চাকা ঘোরেনি এতদিনেও। কয়েক বছর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়ার কারণে বিষয়টি পিছিয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পরও বিষয়টির সুরাহা না হওয়ায় বিশেষ ও হিল আনসার সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ ও হতাশা বিরাজ করছে বলে জানা যায়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠানো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাহিদা বারিক স্বাক্ষরিত সর্বশেষ চিঠিতে বলা হয়, ব্যাটালিয়ন আনসার প্রবিধানমালা-১৯৯৬ অনুসারে আনসার বাহিনীতে অঙ্গীভূতকরণের নির্ধারিত যোগ্যতার শর্তগুলো একবারের জন্য প্রমার্জন করতে হবে। ৬০০ জন হিল আনসার ও ৪৩৯ জন বিশেষ আনসারসহ ১০৩৯ জন আনসার সদস্যের মধ্যে বর্তমানে কর্মরত ৯৯১ জনকে ব্যাটালিয়ন আনসারের শূন্য পদে স্থায়ী বা নিয়মিতকরণের জন্য প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি থেকে গত সেপ্টেম্বর সুপারিশ করা হয়। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের আরোপিত শর্তগুলোর একটি হচ্ছে– আনসার বাহিনীতে অঙ্গীভূতকরণের নির্ধারিত যোগ্যতার শর্তসমূহ একবারের জন্য প্রমার্জন করে কর্মরত ৬০০ হিল আনসার ও ৪৩৯ জন বিশেষ আনসারকে ব্যাটালিয়ন আনসারের শূন্যপদে স্থায়ী কিংবা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি ‘ব্যাটালিয়ন আনসার প্রবিধানমালা-১৯৯৬’ এ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিশেষ ও হিল আনসারদের ব্যাটালিয়ন আনসারে আত্মীকরণের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, মানবিক কারণেই প্রধানমন্ত্রী তাদের আত্মীকরণের বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আশা করি দ্রুত এই বিষয়টির সমাধান করতে পারবো। সূত্র: প্রতিদিনের কথা।