মহালছড়িতে ৩ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, আটক ৪

মহালছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি ইউনিয়নের মাইসছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ৩ স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের

রামগড়ে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ফলজ চারা বিতরণ
রামগড়ে শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২২
মাইসছড়িতে বর্ণমালা আইডিয়াল স্কুল এর উদ্বোধন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

মহালছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি ইউনিয়নের মাইসছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ৩ স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের অভিযোগে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো, (১) সাইফুল মারমা (২০), পিতা- উথাই মারমা, (২) হৃদয় চাকমা (১৯) পিতা- মক্কাপেদা চাকমা, (৩) সাচিং মারমা (২১) পিতা- সুইলাপ্রু মারমা, (৪) থুইচিং মারমা (১৯) পিতা- খিলুঅং মারমা। এরা সবাই মাইসছড়ি ইউনিয়নের পচাই কার্বারী ও পাশর্^বর্তী গ্রাম মানিকছড়ি মুখ পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ধর্ষণের অভিযোগে ভিকটিম নেই¤্রাউ মারমা পিতা মংসানু মারমা মহালছড়ি থানায় এসে নাম উল্লেখ করে  ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগে বলা হয়, ভিকটিমগণ ২৯ তারিখ মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে মানিকছড়ি মুখপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক ছেলে বন্ধুকে নিয়ে গল্প করার সময় উল্লেখীত ৪ বখাটে এসে ছেলে বন্ধুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়। এরপর ৪ বখাটে মিলে ভিকটিম ৩জনকে জোর করে বিদ্যালয়ের পিছনে সেগুন বাগানে ধর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিম নেই¤্রাউ মারমা কৌশলে পালিয়ে এসে তার বাবা মংসানু মারমাকে ঘটনা খুলে বললে ছোট ভাইকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে বখাটেরা পালিয়ে যায়। সেখান থেকে অপর ভিকটিমদের উদ্ধার করে ঘটনা পুলিশকে জানানো হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলার এজাহারে অভিযুক্ত সবাইকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে ৩০ মে বুধবার ভোর ৪ টার দিকে আটক করে।

এ বিষয়ে মহালছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ নুরে আলম ফকির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ২৯ তারিখ রাতে ধর্ষণ হওয়ার খবর পাওয়ার সাথে সাথে আমি নিজেই পুলিশ ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে আসামীদের ধরতে সক্ষম হই। এ ঘটনায় ভিকটিম নেই¤্রাউ মারমা পিতা মংসানু মারমা ধর্ষণের দায়ে নাম উল্লেখ পূর্বক ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন ৯(১)/৩০ ধারায় মামলা রেকর্ড হয়েছে। যার মামলা নং-০১। ঘটনার কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ভিকটিমদের ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং আটককৃত আসামীদের খাগড়াছড়ি জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।