ইউপি নির্বাচনখাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদদীঘিনালাপাহাড়ের সংবাদমহালছড়িশিরোনামস্লাইড নিউজ

মহালছড়ি ও দীঘিনালা ইউপি নির্বাচনে ৬প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা

                           সহিংসতা ও জাল ভোটের অভিযোগে স্থগিত ১
স্টাফ রিপোর্টার: খাগড়াছড়িত ২উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নের ৩য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে। ঘটেছে সংহিংসতার ঘটনা। ভোট কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ব্যালট বা´ ছিনতাই, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর লাঠিচার্জে আহত এবং আটকের ঘটনাও ঘটে। দীঘিনালা উপজেলায় বেসরকারিভাবে পাথমিক ফলাফলে বোয়ালখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে ৮হাজার ১৪৫ভোট পেয়ে আনারস প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী চয়ন বিকাশ চাকমা নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী মো: মোস্তফা নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩হাজার ৯০৭ভোট। মেরুং ইউনিয়নের ১৩টি কেন্দ্র থেকে নৌকা প্রতীকে মাহমুদা বেগম লাকী ১০হাজার ৪৭৪ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হেমাব্রত চাকমা ৭হাজার ৯০৭ভোট পেয়েছেন। তবে এখানে ২টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। কবাখালী ইউনিয়নের ৭টি কেন্দ্রে ৫হাজার ৪৯২ভোট পেয়ে আনারস প্রতীকে নলেজ চাকমা নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল বারেক নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২হাজার ৮৫৬ভোট। মেরুং ইউনিয়নে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বরত কর্মকর্তা মোঃ মাইন উদ্দিন জানান, ১২টার দিকে মেম্বার প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের মাঝে ধাওয়া পাল্টা ঘটনা ঘটে, এতে ২টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়।

এদিকে মহালছড়ি উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকে দুই প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র আনারস প্রতীকে একজন বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। মহালছড়ি সদর ইউনিয়নে সরকার দলীয় প্রার্থী রতন কুমার শীল ৭হাজার ৩৪৫ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকে লাব্রেচাই মারমা পেয়েছেন ১হাজার ৩৮৬ভোট। মুবাছড়ি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকে বাপ্পী খীসা পেয়েছেন, ৩হাজার ৯৫২ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার দলীয় প্রার্থী নৌকা প্রতীক পেয়েছেন ৮৫৬ভোট।

মাইসছড়ি ইউনিয়নে একটি কেন্দ্র স্থগিত থাকায় সে ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়নি। মাইসছড়ি ইউনিয়নে ব্যাপক জাল ভোট প্রদানের সত্যতা পাওয়ায় প্রিজাইডিং অফিসার কিউট চাকমার একটি কেন্দ্র স্থগিত ঘোষণা করেছেন। তবে অবশিষ্ট ৮টি ভোটকেন্দ্রের পাওয়া তথ্যমতে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাজাই মারমা এগিয়ে রয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৩হাজার ৩২১ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার দলীয় প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন লিডার পেয়েছেন ২হাজার ১২২ভোট। মাইসছড়ি ইউনিয়নে যে কেন্দ্র স্থগিত রয়েছে সেই কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১৩০৫ভোট। ক্যায়াংঘাট ইউনিয়নে সরকার দলীয় মনোনীত প্রার্থী রুপেন্দু দেওয়ান বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় আগেই নির্বাচিত হয়েছেন। মহালছড়ি রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, মাইসছড়ি ইউনিয়নে যেহেতু একটি কেন্দ্র স্থগিত রয়েছে তাই আপাতত সে ইউনিয়নটি ঘোষণা করা যাচ্ছে না।