চট্টগ্রাম সংবাদস্লাইড নিউজ

মাইজভান্ডারী শরাফত হলো সাম্য-ভ্রাতৃত্ব-ঐক্যের -ডা. সৈয়দ দিদারুল হক মাইজভান্ডারী

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: মাইজভান্ডার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন ডা. সৈয়দ দিদারুল হক মাইজভান্ডারী (ম.জি.আ) বলেছেন, গাউছুল আজম মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্যাহ মাইজভান্ডারী (ক.) প্রতিষ্ঠিত আধ্যত্ম শরাফত হলো সাম্য-ভ্রাতৃত্ব-ঐক্যের। এখানে নেই কোন হিংসা-বিদ্বেস। তরিক্বত চর্চার মুল উদ্দেশ্য হলো প্রেমময়-শ্রুতিমধুর স্বরে ইবাদত বন্দেগীতে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা। তাই আমরা গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর প্রদর্শিত পথ ও মত ব্যক্তি এবং সমাজ জীবনে অনুস্মরণ করে সেই মহান অলীর আলোয় আলোকিত হতে পারি।

মাইজভান্ডার গাউছিয়া আহমদীয়া মনজিলের সম্মেলন কক্ষে সৈয়দ আহমদ উল্যাহ মাইজভান্ডারী (ক.) ১১২তম বার্ষিক ওরশ শরীফ উপলক্ষ্যে প্রশাসনিক সমন্বয় সভায়তিনি মঙ্গলবার প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার রায় এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাজ্জাদানশীন সৈয়দ শহিদুল হক মাইজভান্ডারী। বক্তব্য রাখেন, ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকির হোসাইন, আজাদী বাজার পল্লী বিদ্যূতের ডিজিএম মো. সরোয়ার জাহান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজিমেল কদর, একাডেমিক সুপার ভাইজার আকরাম হোসেন, নাজিরহাট হাইওয়ে পুলিশ ফাঁডির ইনচার্জ মো. মুজিবুর রহমান, শাহজাদা সৈয়দ হোসাইন রাইফ নুরুল ইসলাম রুবাব, শাহজাদা সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন সোহেল, ইউপি সদস্য শফিউল আলম, পরিবহন শ্রমিক নেতা ইসকান্দর, জাহাঙ্গীর আলম, মো. শাহীন, সাংবাদিক এম এস আকাশ প্রমুখ।

সভায় ১০মাঘ ওরশ উপলক্ষ্যে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর মাজার ও মাইজভান্ডার শরীফ এলাকায় ক্লোজ-সার্কিট ক্যামরার মাধ্যমে সার্বক্ষনিক নজরদারি করা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন রাখা, নাজিরহাট নতুন রাস্তার মাতায়, ফটিকছড়ি সদরে ও নানুপুর লায়লা-কবির কলেজ মাঠে যানবাহন পার্কিং, মাইজভান্ডাল পুকুর আবর্জনা মুক্ত রাখা, প্রয়োজনীয় পানীয় জলের ব্যবস্থা করা, স্ব-স্ব মনজিলের পোষাক পরা সেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা, মহিলাদের চলাচলের স্থানে মহিলা সেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা, আযানের সময় সকল প্রকাল মাইকিং বন্ধ রাখা, নির্দিষ্ঠ সময়ের পরে গরু-মহিষ হাদিয়া প্রবেশ বন্ধ রাখা, পর্যাপ্ত পরিমানে ভ্রাম্যমান স্যানিটেশন ব্যবস্থা করা, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিধান্তের জন্য একজন ম্যাজিষ্টেট এর নেতৃত্বে  ভ্রাম্যমান আদালত সব সময় টহল রত থাকা সকল প্রকার যোগাযোগের জন্য একটি তথ্য কেন্দ্র খোলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।