যোগ্যাছোলা ইউপি নির্বাচন: প্রতীক্ষার পালা শেষ, সকাল ৮ থেকে ভোট গ্রহণ

স্টাফ রিপোর্টার: প্রতীক্ষার পালা শেষ। ভোট গ্রহণের আর কয়েক ঘন্টা বাকি। বুধবার সকাল ৮ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হবে। চলবে টানা বিকাল ৪টা পর্যনন্ত। মানিকছড়ি

মুন্সিগঞ্জের পুলিশের গুলিতে যুবদল নেতা হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ সমাবেশ
মহালছড়িতে সেনাবাহিনী কর্তৃক বৈসাবি উপলক্ষে বিভিন্ন ক্লাবকে আর্থিক অনুদান প্রদান
খাগড়াছড়িতে ফের মসজিদের দান বাক্স ভেঙে টাকা চুরি

স্টাফ রিপোর্টার: প্রতীক্ষার পালা শেষ। ভোট গ্রহণের আর কয়েক ঘন্টা বাকি। বুধবার সকাল ৮ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হবে। চলবে টানা বিকাল ৪টা পর্যনন্ত। মানিকছড়ি উপজেলার ৩ নং যোগ্যাছোলা ইউনিয়ন পরিষদের স্থগিত হওয়া এ নির্বাচন হচ্ছে। প্রার্থীদের প্রচারণা শেষ। নির্বাচনী সকল সরঞ্জামাদি নিয়ে কেন্দ্রে গেছেন প্রিসাইডিং ও সহকারি প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ট ও নিরপেক্ষ করতে প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্র নিরাপত্তায় ১৫ জন আনসার সদস্য ও ৮জন পুলিশ সদস্যের  পাশাপাশি পুলিশ ও বিজিবি’র টহল ছাড়াও ১জন জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট ও ৪জন নির্বাহী ম্যাজিট্রেট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।

মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে একযোগে নির্বাচনের তফশীল ঘোষণা হলেও সীমানা বিরোধ সংক্রান্ত জনৈক ব্যক্তির মামলার প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে প্রচারণার শেষ মূর্হুত্বে এসে উপজেলার ৩ নং যোগ্যাছোলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর মামলার নিস্পত্তি হওয়ায় গত ১০ জুন নির্বাচনী তফশীল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন। ফলে এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন  সাধারণ সদস্য পদে ২৫ ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৮জন লড়ছেন। এছাড়া সাধারণ সদস্য পদে ইতোমধ্যে ৩জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এখানে মোট ভোটার পুরুষ ৩২৯০ জন, মহিলা ৩১৯১জন। বাঙ্গালী ভোট-৬৪৮১, উপজাতি ভোট ২৩৬২, কেন্দ্র ৯টি। ২৪ জুলাই সকাল থেকে প্রিসাইডিং ও সহকারি প্রিসাইডিং অফিসারগণ তাঁদের সঙ্গীয় নিরাপত্তা, ভোটার সরঞ্জামাদি নিয়ে কেন্দ্রে রওয়ানা হয়েছেন।

এ নির্বাচনে বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন প্রার্থী না হওয়ায় সেখানকার ভোটের হিসাব-নিকাশ নিয়ে সাধারণ ভোটাররা মুখ খুলছেনা। দলীয় প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ক্যজয়রী মহাজন (নৌকা) এর পক্ষে জেলা-উপজেলার আওয়ামীলীগের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। সরকার দলী প্রার্থী অবসর প্রাপ্ত এই সেনা সদস্য নির্বাচনী মাঠে অনেকটা ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন। শেষ হাসিটা তিনিই হাসবেন এমন ধারনা নৌকা প্রতীকের কর্মী সমর্থকদের। অপরদিকে বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি’র দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে মাঠে রয়েছেন মো. জামাল উদ্দীন। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো: জামাল উদ্দিন মনে করেন যথেষ্ট জনসমর্থন আছে মন্তব্য করে বিজয় তাঁর পক্ষে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন মো. আলমাছ মিয়া (আনারস) প্রতীক। ভোটের মাঠে ভালো অবস্থান আছে এমন ধারনা থেকে জয়ের ব্যাপারে তিনিও আশাবাদী।