চট্টগ্রাম সংবাদরাঙ্গুনিয়াশিরোনামস্লাইড নিউজ

রাঙ্গুনিয়া কদমতলী বিহারের সড়ক নির্মাণে পাল্টে গেলো দৃশ্যপট

শান্তি রঞ্জন চাকমা, রাঙ্গুনিয়া: রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা কদমতলী গ্রামের ধর্ম্মানকুর বৌদ্ধ বিহারের প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দে ৩০০ মিটার পাকা সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে। সড়কটি নির্মিত হওয়ায় এলাকার জীবন মান পাল্টে গেছে। বিহারের ধর্মীয় কাজে আসা লোকজনের সুবিধা বেড়েছে।

বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ বড়ুয়া জুয়েল ও বিহারধ্যক্ষ ভদন্ত দীপংকর থের বলেন, ১৮৮০ সালে চাকমা রাজা ভুবন মোহন রায় বাহাদুর এর মুহুরী কদমতলি গ্রাম নিবাসী প্রয়াত শুভংকর বড়ুয়া (মুহুরী), এলাকার সমাজসেবক প্রয়াত ডা: নব কুমার বড়ুয়া ও সমাজসেবক রমনী মোহন বৈদ্যের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই বিহারটি নির্মিত হয়। বিহারটি এতদঞ্চলের ধর্মীয় ঐতিহ্য হিসাবে স্ব-নামে দাঁড়িয়ে আছে তার নিজস্ব মাতৃপীঠে। কিন্তু সড়কের প্রবেশের একমাত্র রাস্তাটি জরাজীর্ণ থাকায় দায়ক দায়িকাদের চলাচল বেশ অসুবিধা হতো।

অবশেষে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৪৮ লাখ ৪০ হাজার ৯৯১ টাকা ব্যয়ে ৩০০ মিটার কাটাখালি খাল সাইট (কদমতলি ধর্ম্মানকুর বৌদ্ধ বিহার) পাকা সড়কটি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে সম্পন্ন করা হয়।

বিহারের বিহারধ্যক্ষ ভদন্ত দীপংকর থের সড়কের কাজ সম্পন্ন হওয়ায় রাঙ্গুনিয়া হতে নির্বাচিত সাংসদ তথ্য মন্ত্রী ড: হাছান মাহামুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। বিহারধ্যক্ষ জানান, এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (রক্ষনাবেক্ষন) বিপুল চন্দ্র বনিক এবং তাঁর ছোট ভাই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের যুগ্ম সচিব দীলিপ কুমার বনিক সড়কটি নির্মানে অকৃত্রিম সহযোগিতা করেছেন। এইছাড়া এলজিইডি চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: ওয়াহিদুজ্জামান, উপজেলা প্রকৌশলী দিদারুল আলম, নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানের মো: ইসহাক, মো: বেলাল, মো: সুমন, বিহারের আবাসিক ভিক্ষু ও শ্রামন সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সড়কটি পাকা করণে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছেন।

বিহার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ বড়ুয়া জুয়েল, এলাকাবাসী ধর্মপাল বড়ুয়া খোকন, বাদল বড়ুয়া, ছোটন বড়ুয়া, দীপক বড়ুয়া এবং লিটন বড়ুয়া সহ এলাকাবাসী সরকারের নিকট সড়কটি নির্মানে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।