রাত পোহালেই মানিকছড়ি’র যোগ্যাছোলা ইউপি নির্বাচন, থাকছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

আলমগীর হোসেন/মোবারক হোসেন: রাত পোহালেই মানিকছড়ি উপজেলার যোগ্যাছোলা ইউনিয়ন নির্বাচন। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন। ২৫ জুলাই বুধবার যোগ্যা

খাগড়াছড়িতে যুব মহিলা লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
লক্ষ্মীছড়িতে পুলিশের অভিযানে ৪ গাঁজা সেবনকারি আটক
লক্ষ্মীছড়িতে “মুজিব জন্মশত বাষির্কী” উপলক্ষে স্মারক বৃক্ষরোপন উদ্বোধন

আলমগীর হোসেন/মোবারক হোসেন: রাত পোহালেই মানিকছড়ি উপজেলার যোগ্যাছোলা ইউনিয়ন নির্বাচন। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন। ২৫ জুলাই বুধবার যোগ্যাছোলা ইউনিয়ন নির্বাচনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরী করা হয়েছে।

চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৩জন ক্যয়জরী মহাজন (নৌকা) মোঃ জামাল উদ্দিন (ধানের শীষ) ও মোহাম্মদ আলমাছ (আনারস) প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন। সংরক্ষিত মহিলা পদে ৮জন, সাধারণ মেম্বার ২৮জন নির্বাচনী মাঠে লড়ছেন। যোগ্যাছোলা ইউনিয়ননে মোট ভোটার সংখ্যা ৮ হাজার ৮৪৩জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪হাজার ৩৯০জন, নারী  ভোটার  ৪হাজার ৪৫৩ জন ভোটার রয়েছে। মোট ভোট কেন্দ্র ৯টি।  নির্বাচনী সরজাম  ও মালামাল মঙ্গলবার বিকেলেই পৌছে গেছে। কেন্দ্রে- কেন্দ্রে আনসার ভিডিপি, পুলিশ, আইন শৃংঙখলা বাহিনীর দায়িত্বে নিয়োজতি সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিরা পৌছে গেছে বলে নির্বাচন অফিস জানিয়েছে। নির্বাচন সুষ্ট করার লক্ষ্যে মাঠে থাকছেন ৬জন ম্যাজিষ্ট্রেড। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশেষ নিরাপত্তা হিসেবে স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় থাকবেন সেনাবাহিনীও।

এদিকে মানিকছড়ি উপজেলার যোগ্যাছোলা ইউনিয়ন নির্বাচনকে  কেন্দ্র করে  সম্প্রতি উপজেলা নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায় কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা ঘটলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়ে দেয়া হয়।  মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার তামান্না মাহমুদ’র সভাপতিত্বে খাগড়াছড়ি জেলার  অতিরিক্ত জেলা মেজিষ্ট্রেড ডা. গোফরান ফারুকী, জেলা এএসপি র্সাকেল আউয়াল, জেলা নির্বাচন অফিসার বশির আহম্মেদ,  মানিকছড়ি উপজেলা ভূমি কমিশনার ও ম্যাজিট্রেড রুবাইয়া আফরোজ, মানিকছড়ি থানা অফিসার ইনর্চাজ(ওসি) আব্দুর রশিদ, মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাচন অফিসার বিশ্বাস সুজন কুমারসহ প্রার্থী ও প্রার্থীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেড ডা. গোফরান ফারুকী বলেন, নির্বাচনকে সুষ্ট সুুন্দর করার জন্য প্রশাসন আইন-শৃংঙখলা বাহিনী ও ম্যাজিষ্ট্রেড মাঠে থাকবেন। নিবাচনের দিন বহিরাগত কোনো লোক নির্বাজনী এলাকায় থাকতে পারবে না বলে উল্লেখ করেন।