লক্ষ্মীছড়িতে ঈদ উপলক্ষে আসা ভিজিএফ’র চাল বিতরণে অনিয়ম

লক্ষ্মীছড়িতে ঈদ উপলক্ষে আসা ভিজিএফ’র চাল বিতরণে অনিয়ম

স্টাফ রিপোর্টার: খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় মুসলিমদের জন্য ঈদ উপলক্ষে আসা ভিজিএফ’র চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, সরকার প্রতিব

দীঘিনালায় টিকা গ্রহণে উৎসাহ প্রদান ও মাস্ক বিতরণ
মানিকছড়িতে স্থানীয় সরকার-জাইকা’র অর্থায়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসবাবপত্র বিতরণ
মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস পালিত

স্টাফ রিপোর্টার: খাগড়াছড়ি জেলার লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় মুসলিমদের জন্য ঈদ উপলক্ষে আসা ভিজিএফ’র চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, সরকার প্রতিবারের মত গরীব অসহায়দের জন্য ঈদ উদযাপনে বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে ১০ কেজি হারে চাল বরাদ্দ দেয়।

৭জুলাই বৃহস্পতিবার ১নং লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়নে প্রাপ্ত বরাদ্দের চাল বিতরণ শুরু করে। সকাল ১০টা থেকে চাল বিতরণ শুরু হয়। অনেক দুর-দুরান্ত থেকে ৯টি ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে একটি বালতির মাধ্যমে নিজের প্রাপ্য চাল তুলে নেন। অভিযোগ পাওয়া যায়, মাপে চাল কম দেয়া হচ্ছে। অভিযোগ পেয়ে সাংবাদিক ও গোয়েন্দা সংস্থার ব্যক্তিগণ ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানালে অনিচ্ছাকৃত ভুল বলে স্বীকার করেন তিনি। কিছু সময় মাপে সঠিক পাওয়া গেলেও পূণরায়  যাচাই করতে আবারো মাপ দেয়া হলে ৮কেজি ২০০গ্রাম সর্বোচ্চ ৩০০গ্রাম পর্যন্ত পাওয়া যায়। প্রতিজনে দেড় কেজিরও বেশি চাল কম দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তাৎক্ষনিকভাবে তদারিক কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করা হয়।

এসময় সদর ইউপি চেয়ারম্যান প্রবিল কুমার চাকমা আবারো বলেন, কম দেয়ার তো কথা নয়। তবে মাপে যারা কম পেয়েছে তাদেরতে তাৎক্ষনিক পূরণ করে দেয়া হয়। জানা যায়, বেশিরভাগ সুবিধাভোগিরা মাপে চাল কম পেয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সাবেক ইউপি সদস্য মো: রেজাউল করিম বলেন, আমি নিজে গিয়েও চেয়ারম্যানকে কম হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছি। তার পরেও ১০ কেজির স্থলে ৮কেজির সামান্য বেশি চাল পেয়েছে সুবিধাভোগিরা। ঘাটতি হিসেবে ৫০০গ্রাম চাল কম দিলে মানা যায়। এলাকার মানুষ সচেতন নয়, এই সুযোগে গরীবদের হক নষ্ট করা হচ্ছে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে তদারকি অফিসার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন ভূইয়া এ প্রতিনিধিকে জানান, ৪জুলাইয়ের আগে চাল বিতরণ করার কথা। কিন্তু চেয়ারম্যান সেটা করেনি। আজ ৭জুলাই চাল বিতরণ করবে আমাকে জানানো হয় নি।

চেয়ারম্যান প্রবিল কুমার চাকমা বলেন, ডি.ও পেতে দেরি হয়েছে। তদারকি অফিসারকে মুঠোফোনে জানানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু সংযোগ পাই নি। কিছু অভিযোগ ছাড়া বিতরণ সুষ্ঠু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
জানা যায়, লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়নে ২হাজার ১৪০জনের মাঝে ২১টন ৪৪০ কেজি চাল, দুল্যাতলী ইউনিয়নে ১হাজার ৫৫২জনের মাঝে ১৫টন ৫৫২কেজি চাল এবং বর্মাছড়ি ইউনিয়নে ১হাজার ৪১৩জনের মাঝে ১৪টন ১৩০ কেজি চাল বরাদ্দ দেয়া হয়।