লড়াই হবে ত্রিমুখী: শেষ সময়ে জমে ওঠেছে মাটিরাঙ্গা পৌর নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা

স্টাফ রিপোর্টার: চতুর্থ ধাপে আগামী ১৪ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই কনকনে শীত উপেক্ষা

খাগড়াছড়ি রিজিয়ন লেডিস্ ক্লাব’র উদ্যোগে শীত বস্ত্র বিতরণ
লক্ষ্মীছড়িতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এ্যাডভোকেসী সভা, ১৮ মার্চ কর্মসূচি শুরু
মানিকছড়িতে আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

স্টাফ রিপোর্টার: চতুর্থ ধাপে আগামী ১৪ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই কনকনে শীত উপেক্ষা করে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা ছুটে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের দ্বাওে দ্বারে। চলছে উঠান বৈঠকসহ গণসংযোগ। প্রার্থীদের পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে পুরো পৌর এলাকা। মেয়র পদে বড় দুই দলের প্রার্থীর পক্ষে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা কর্মীরা চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী এলাকা। তবে ২ দলের মাঝে সমান তালে মাঠে আছেন সরকার দলের অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী এক প্রার্থী। ফলে ত্রিমুখি লড়াইয়ের সম্ভাবনাই বেশি।

প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণায় শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌরসভার নির্বাচন। দিন রাত সমান তালে প্রার্থীরা ছুটে চলছে এ পাহাড় থেকে ওই পাহাড়ে। প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রার্থনার মাধ্যমে চলছে পাহাড়ি-বাঙ্গালি ভোটারদের কাছে টানার আপ্রান চেষ্টা। দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পাশাপাশি প্রচারণায় পিছিয়ে নেই কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীরা। আর ভোটাররা বলছেন যোগ্য প্রার্থীকে বেঁছে নিবেন তারা।

নৌকা নিয়ে নির্বাচন করছেন বর্তমান মেয়র শামসুল হক। আর সমাল তালে প্রত্যন্ত পাহাড় চষে বেড়াচ্ছেন বিএনপি প্রার্থী শাহ জালাল কাজল। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএম জাহাঙ্গীর আলম মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচনী মাঠে ছড়াচ্ছে বাড়তি উত্তাপ। তিনি লড়ছেন মোবাইল প্রতীক নিয়ে।

নৌকা প্রতীকের আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মেয়র শামসুল হক বলেন, আমি অনেক উন্নয়ন করেছি, মানুষের কল্যাণে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। উন্নয়নের ধারবাহিকতায় নৌকাকেই ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকের শাহ জালাল কাজল বলেন, প্রতিটি ভ্টোরের বইড় বাড়ি যাচ্ছি। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভোট হলে ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ী হবে। স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মানুষ পরিবর্তন চায়। আমি মাটিরাঙ্গা পৌরবাসীকে আশ্বস্থ্য করতে চাই মেয়র নির্বাচিত হলে আপনাদের পাশে থেকে পৌর পিতা নয়, সেবক হয়ে কাজ করবো।

অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম। তিনি বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাসহ যা যা প্রয়োজন সব কিছুই করা হবে।

এদিকে মাটিরাঙ্গা পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রাজু আহামেদ জানান, মাটিরাঙ্গা পৌর নির্বাচনে ভোট হবে ব্যালটের মাধ্যমে। ভোটাররা যাহাতে নির্ভিগ্নে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারে সেই পরিবেশ তৈরী করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এবার, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার সর্বমোট ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ৯৬৫ জন। তারমধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৯ হাজার ৮০৬ জন এবং নারী ভোটার রয়েছে ৯ হাজার ১৬৯ জন।