সিন্দুকছড়ি বাজারে জ্বালানি তেলের অবৈধ রমরমা ব্যবসা

সিন্দুকছড়ি বাজারে জ্বালানি তেলের অবৈধ রমরমা ব্যবসা

গুইমারা প্রতিনিধি: জেলার গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন বাজারে অবৈধ খোলা অকটেনের দোকান করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত লাতু লিডারের ছেলে শফিকুল ইসলাম (সু

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে মানিকছড়িতে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
রামগড়ে ইউপিডিএফ’র মানববন্ধন সফল হয় নি
মাটিরাঙ্গায় ১০টাকায় চাল কিনলো নিন্ম আয়ের মানুষ
গুইমারা প্রতিনিধি: জেলার গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন বাজারে অবৈধ খোলা অকটেনের দোকান করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত লাতু লিডারের ছেলে শফিকুল ইসলাম (সুমন), দোকানের দীর্ঘ সময়ের ব্যবসার নেই কোন বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স, জ্বালানি খাত অধিদপ্তরের লাইসেন্স। এই অসাধু ব্যবসায়ী দীর্ঘ সময় ধরে যমুনা অয়েল কোম্পানি এবং বসুন্ধরা এলপি গ্যাস দুটি কোম্পানির নামে চালিয়ে যাচ্ছে ডিলার শীপের রমরমা ব্যবসা। এই অবৈধ ব্যবসায়ীর দাবি, তার লাইসেন্স কাগজপত্র সব আছে কিন্তু না, বিষয়টি উলটো। সে যে কাগজপত্রের কথা বলছে, সেটি হলো মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ি ইউনিয়নের এক ব্যবসায়ী ইমরান হোসেনের কাগজপত্র। সাধারণত যে উপজেলার কাগজপত্র লাইসেন্স হয় সেই উপজেলায় ব্যবসা করার নিয়ম। তবে এক উপজেলা ডিঙিয়ে আরেক উপজেলায় গিয়ে ব্যবসা করা মানে ঘোড়া ডিঙ্গিয়ে ঘাস খাওয়ার মত ।
এ ধরনের ব্যবসায়ীদের কারণে ঘটতে পারে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা । পাশে আছে চায়ের দোকান, যেখানে সবসময় চুলা জ্বালিয়ে রাখা হয়। ক্ষতি হতে পারে এলাকাবাসী সহ বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীর। সিন্দুকছড়ি বাজারে খোদেজা আক্তার প্রিয়াসি পাম্প দোকানে কোন ডকুমেন্ট না থাকায় দোকানিকে জিগ্গেস করলে সাংবাদিকদের উপরে উগ্র মেজাজি হয়ে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করে। দোকানদার শফিকুল ইসলাম (সুমন) অবৈধ ব্যবসায়ী একই ব্যক্তি অন্য কোন লোক সিন্দুকছড়ি এসে জ্বালানি তেলের ব্যবসা করতে চাইলে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে , নয়তোবা বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করে তাকে হয়রানি করে বলে জানা যায়। এ বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ ও আইনানক ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবী জানাচ্ছে এলাকাবাসী।