সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কার্যালয় ভাংচুর’র অভিযোগে আটক ৪

স্টাফ রিপোর্টার: গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কার্যালয় ভাংচুর করার অভিযোগে উপজেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ও কথিত সাং

মানিকছড়ি ‘যোগ্যাছোলা হিউম্যান সোসাইটি’র শীতবস্ত্র বিতরণ
লক্ষ্মীছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিল: সভাপতি রেম্রাচাই-সম্পাদক বিল্লাল হোসেন
স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে কিশোরীদের সচেতনতা বাড়াতে শাহনাজ সুলতানার প্রসংশনীয় উদ্যোগ

স্টাফ রিপোর্টার: গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কার্যালয় ভাংচুর করার অভিযোগে উপজেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ও কথিত সাংবাদিক সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে গুইমারা থানা পুলিশ। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কার্যালয় ভাংচুরের ঘটনায় মোঃ রবিউল ইসলাম(২৫) মোঃ শরিফুল ইসলাম(২২), উভয় পিতাঃ মোঃ ফরফিত কুদরতী, মোঃ মেহেদী হাসান(২৫)পিতাঃ মোঃ আবদুল আজিজ, মোঃ মাইন উদ্দিন(২২), পিতাঃ মোঃ তৈয়ব আলীসহ ২০জনের নাম উল্লেখ করে ও ১০/১৫জনকে অজ্ঞাত আসামীর নামে সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের উপদেষ্টা ও গুইমারা উপজেলা আওয়ামিলীগ সদস্য মহব্বত আলী হয়ে গুইমারা থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নং-০৪. তারিখঃ ১৮.০৪.২০১৮ইং।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মোঃ মেহেদী গুইমারা উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও শরিফুল ইসলাম সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি, অপর দুইজন ছাত্রদল ও যুবদলেরর কর্মী বলে নিশ্চিত করেন গুইমারা উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম সোহাগ। তবে তিনি মিথ্যা ও  রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে অভিযোগ করেন। ১৮এপ্রিল গুইমারা থানা পুলিশ তাদের খাগড়াছড়ি জেলা মূখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

জানা যায়, ১৩এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে তায়জুল নামের বিবাদী পক্ষের এক ছেলে একটি সামাজিক ক্লাবের নামে রাস্তায় চীকা মারার সময় বাদী পক্ষের জয়নাল নামের একজন চীকার উপর দিয়ে গাড়ী চালিয়ে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে ঝামেলা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে ১৭এপ্রিল রাতে সালিশী বৈঠক বসে। এতে সালিশের রায় না মেনে তর্কা-তর্কী এক পর্যায়ে মারমারি শুরু করে এবং রাত আনুমানিক ১১টার দিকে গ্রেফতারকৃত আসামীগণসহ ৩০/৩৫ জন সংঘবন্ধ ভাবে সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ভাংচুর চালায় বলে অভিযোগ করে। এসময় তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ছবি, আসবাবপত্র ও দরজা-জানালা ভেঙ্গে, বঙ্গবন্ধুর ছবিকে পদদলিত করে বলে অভিযোগ করা হয়। খবর পেয়ে গুইমারা থানা পুলিশ ও আইন-শৃংখলা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সিন্দুকছড়ি আওয়ামিলীগের উপদেষ্টা মহব্বত আলী বলেন, সিন্দুকছড়ির ইতিহাসে সন্ত্রাসীরা এক ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছে। তারা পুর্বপরিকল্পিতভাবে এ হামলা ও ভাংচুর করে। এঘটনায় আওয়ামীলীগে একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে জানিয়ে এঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী করেন।

অপরদিকে, গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ইউচুপ বলেন, ওইদিন রাত্রে একটি শালিশী বিচারে কে বা কারা সেখানে হামলা করে, তবে এতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জড়িত নয়। দলীয়ভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে তাদের উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে আটককৃতদের মামলা এবং গ্রেফতার করা হয়। তবে বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় মোকাবেলা করব করার কথা জানান তিনি।

গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানান, বর্তমানে সিন্দুকছড়ি’র পরিস্থিতি শান্ত। ৪জন আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বাকীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।