১৫ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ি মুক্ত দিবস: উড়ে বিজয়ের পতাকা

খাগড়াছড়ি: স্বাধীনতা যুদ্ধে চুড়ান্ত বিজয়ের একদিন পূর্বেই (১৫ ডিসেম্বর) খাগড়াছড়িকে শত্রু মুক্ত করে বিজয়ের পতাকা উড়ানো হয়। মুক্তি সেনারা এই দিনে পাক বাহি

লক্ষ্মীছড়ি-মানিকছড়ি সড়কে সিএনজি উল্টে আহত ২
মাইসছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসবাবপত্র বিতরণ
পাহাড়ের কিশোরী-যুবাদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা

খাগড়াছড়ি: স্বাধীনতা যুদ্ধে চুড়ান্ত বিজয়ের একদিন পূর্বেই (১৫ ডিসেম্বর) খাগড়াছড়িকে শত্রু মুক্ত করে বিজয়ের পতাকা উড়ানো হয়। মুক্তি সেনারা এই দিনে পাক বাহিনী, ও তাদের মিত্র মিজু বাহিনী ও রাজাকার বাহিনীর সাথে তুমুল যুদ্ধের মধ্যদিয়ে খাগড়াছড়িকে শত্রু মুক্ত করে।

সংশ্লিষ্ট মুক্তিযোদ্ধারা জানান, ভারত থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ও সাব এডমিনিষ্ট্রেটর হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হাজ্বী দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী মুক্তি যোদ্ধাদের নিয়ে খাগড়াছড়ির তবলছড়ি, পানছড়ি ও ভাইবোন এলাকায় পাক বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে পাক বাহিনীকে পরাজিত করে। পরে খাগড়াছড়ি সদর অভিমুখে আসার পথে কুকিছড়া এলাকায় পাকিস্থানি অনুগত মিজো বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের উপর অতর্কিত গুলি বর্ষণ করে। মুক্তিযোদ্ধারাও পল্টা গুলি চালালে বাধে তুমুল যুদ্ধ। এ যুদ্ধে মিজু বাহিনী পরাজিত হয়ে পালিয়ে যায় পূর্বের পাহাড়ের দিকে। বিজয়ের আগের দিন পর্যন্ত পাক সেনা, মিজো বাহিনী ও রাজাকারদের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের দফায় দফায় ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।

এ সংঘর্ষে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে মিজো বাহিনী ও রাজাকার মিলে প্রায় ৩শ জনের মত নিহত হয়। এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে হাজ্বী দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী ও উকিল আহাম্মদ বেশ সাহসী ভমিকা রাখেন। সব শেষে ১৫ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ি সদরে মুক্তি যুদ্ধের সাব ডিভিশন কমান্ডার ও সাব এডমিনিষ্ট্রেটর হাজ্বী দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী সঙ্গীয় মুক্তি যোদ্ধাদের নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয়ের পতাকা উড়ান। নানা আয়োজনে খাগড়াছড়িতে দিবসটি পালিত হচ্ছে।