২১তম শান্তি চুক্তি বর্ষপর্তিতে গুইমারাতে ২দিন ব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজন

স্টাফ রিপোর্টার: পার্বত্য চট্টগ্রামের কয়েক দশক ধরে চলে আসা রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে ২ডিসেম্বর ১৯৯৭সালে সম্পাদিত পার্বত্য শান্তি চুক্তির ফলে পাহাড়

মহালছড়িতে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত
মানিকছড়িতে ৬২পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক
প্রাক্তনদের মিলন মেলায় বর্নিল গুইমারা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ

স্টাফ রিপোর্টার: পার্বত্য চট্টগ্রামের কয়েক দশক ধরে চলে আসা রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে ২ডিসেম্বর ১৯৯৭সালে সম্পাদিত পার্বত্য শান্তি চুক্তির ফলে পাহাড়ে এখন শান্তি ও উন্নয়নের সু-বাতাস বইছে। নানা কারণে পাহাড়ে শান্তি বাহিনী নামক সশস্ত্র সংগঠনের আন্দোলন ও হামলায় নিহত-আহত হয়েছিল অসংখ্য পাহাড়ি ও বাঙালি পার্বত্যবাসী। দুই দশকের এ গেরিলা সংগ্রামের ইতি ঘটিয়ে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য জনসংহতি সমিতি(জেএসএস) এর প্রধান সন্তুলারমার নেতৃত্বে ৭৩৯জন শান্তি বাহিনীর সদস্য খাগড়াছড়ি ষ্টেডিয়ামে পার্বত্য চুক্তি মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে অস্ত্রসমর্পন করে। তখন থেকে ২ডিসেম্বর পার্বত্য শান্তি চুক্তি দিবস নামে পার্বত্যবাসীর নিকট অতি পরিচিত। পাহাড়ে বসবাসরত পাহাড়ী-বাঙ্গালীর জন্য ২ডিসেম্বর তথা পার্বত্য শান্তি চুক্তি দিবস খুবই গুরুত্বপূর্ন ও অর্থবহ।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনজেলায় এদিবসটিকে ঘিরে শুরু হয় উৎসবের আমেজ।

দেশী-বিদেশী বিভিন্ন সংস্থার অর্থায়নে ডাক-ঢোল বাজিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির গুইমারাতে ২১তম পার্বত্য শান্তি চুক্তির বর্ষ পুর্তি উপলক্ষে ২দিন ব্যাপী বর্ণাঢ্য ও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গুইমারা ও মানিকছড়ি উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগের ২ডিসেম্বর সকালে দিবসটি উপলক্ষে গুইমারা মডেল হাই স্কুল মাঠ থেকে শান্তি র‌্যালী বের হয়ে গুইমারা রিজিয়ন স্পোর্টস কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে গিয়ে শেখ হওয়ায় কথা রয়েছে। র‌্যালী শেষে ২দিন ব্যাপী শান্তি মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, আলোচনা সভা, চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ সহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া ২দিন ব্যাপী মেলার প্রতিনিধি বিনা মূল্যে দর্শনার্থীদৈর বিভিন্ন খেলাধুলা-রাইড ও শান্তি কনসার্টের ব্যবস্থা থাকবে।

পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২১তম বর্ষ পুর্তির আয়োজন যেন শান্তির সু-বাতাস পার্বত্যাঞ্চলের বসবাসকারী প্রতিনিটি নাগরিকের ঘরে ঘরে পৌছে দেয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, সম্প্রীতি, উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রেখে দেশ এগিয়ে যাক উন্নয়নের চুড়ান্ত শিখরে।