খাগড়াছড়িতে জেলা পুলিশের আয়োজনে জমজমাট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ পুলিশ লাইন্স মাঠে উৎসবের আমেজ, জয় পেল অবিবাহিত একাদশ

শেয়ার করুন

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে কর্মব্যস্ততার ফাঁকে এক আনন্দঘন ও প্রাণবন্ত বিকেল উপহার দিল খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পুলিশ। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের শারীরিক-মানসিক সুস্থতা, কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে জেলা পুলিশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো এক জমজমাট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পুলিশের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে আজ পুলিশ লাইন্স মাঠে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয় জেলা পুলিশের সদস্যদের নিয়ে গঠিত ‘বিবাহিত একাদশ’ ও ‘অবিবাহিত একাদশ’।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনায় ভরপুর। মাঠজুড়ে খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য, প্রাণবন্ত দর্শকসমাগম ও উৎসবমুখর পরিবেশ পুরো আয়োজনকে করে তোলে আরও উপভোগ্য।

নির্ধারিত সময়ের খেলায় দুর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করে ১-০ গোলের ব্যবধানে বিবাহিত একাদশকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে অবিবাহিত একাদশ। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে মাঠজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস ও করতালির ধ্বনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার সাদাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নোমান হোসেন, নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ,পৌর প্রশাসক হাসান মারুফ, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি তরুণ কুমার ভট্টাচার্য, জেলা ক্রীড়া অফিসার হারুন-অর-রশিদসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও তাদের পরিবার-পরিজন।

খেলা শেষে পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে বিজয়ী ও বিজিত দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এ সময় অতিথিরা বলেন, এ ধরনের ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক আয়োজন পুলিশ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সংহতি ও সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় করবে এবং কর্মক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা ও ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করবে।
উৎসবমুখর এই প্রীতি ম্যাচ শুধু একটি খেলা নয়,বরং দায়িত্বশীলতার বাইরে দাঁড়িয়ে মানবিকতা, বন্ধন ও আনন্দ ভাগাভাগির এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকলো খাগড়াছড়িবাসীর কাছে।