খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র, খাগড়াছড়ি “বিনা উদ্ভাবিত স্বল্পজীবনকালীন উচ্চ ফলনশীল আউস ধানের জাত বিনাধান-১৯ এবং বিনাধান-২১ এর সাথে ব্রি ধান ৪৮ ও ৯৮ এর প্রায়োগিক পরীক্ষণ মূল্যায়ন, প্রচার ও চাষাবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাঠদিবস” অনুষ্ঠিত হয়। খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা মাটিরাঙ্গা উপজেলার তবলছড়ির গৌরাঙ্গপাড়া এলাকায় এই মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়।
“বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্প” আওতায় আয়োজিত এই মাঠ দিবসে বিনা খাগড়াছড়ি উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিগান গুপ্ত’র সভাপতিত্বে ভার্চূয়ালী প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিনার মহাপরিচালক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ। বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অং সিং হলার সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. মাহবুবুল আলম তরফদার, উপপ্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, মাটিরাঙ্গা উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ সেলিম রানা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাশাপাশি পরিক্ষণ মাঠে বিনা উদ্ভাবিত স্বল্পজীবনকালীন উচ্চ ফলনশীল আউস ধানের জাত বিনাধান-১৯ এবং বিনাধান-২১ এর সাথে ব্রি ধান ৪৮ ও ৯৮ এর প্রায়োগিক পরীক্ষণ মূল্যায়ন শেষে দেখা যায় ৪টি ধানের উৎপাদন কাছাকাছি হলেও বিনা ধান-১৯ এবং বিনা ধান-২১ এর চাল সরু এবং ভাত খেতে সুস্বাধু হওয়ায় কৃষকগণ বিনা ধান চাষ আগ্রহী হয়ে উঠছে। তছাড়া বিনা ধান স্বল্পজীবনকালীন হওয়ায় আউস সিজনের পর অন্য যেকোন একটি ফসল ফসিয়ে কৃষক বাড়তি আয় করতে পারে। তাই বিনা উদ্ভাবিত ধান চাষ করলে কৃষক লাভবান হবে বলে জানান বক্তারা।