খাগড়াছড়িসহ সারা দেশে ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

খাগড়াছড়িসহ সারা দেশে ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা ১ টি ও মানিকছড়ি উপজেলা ১টি সহ সারাদেশে ২য় ধাপে আরও ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন

গুইমারাতে নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে পার্বত্য শান্তি চুক্তির রজত জয়ন্তী  
খাগড়াছড়ি হানাদার মুক্তদিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের শোভাযাত্রা
Why your weather channel never works out the way you plan

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা ১ টি ও মানিকছড়ি উপজেলা ১টি সহ সারাদেশে ২য় ধাপে আরও ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৬ জানুয়ারি সোমবার গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি দ্বিতীয় পর্বে এসব মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন তিনি।

খাগড়াছড়ি মডেল মসজিদ উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেল,জেলা প্রশাসক মোঃ সহিদুজ্জামান,খাগড়াছড়ি গণফূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম,পুলিশ সুপার নিপুন আহম্মদ, ইসলামীক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোঃ নাজমুস সাকিব, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শানে আলম,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার প্রমুখ।

মানিকছড়ি মডেল মসজিদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি গণফূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাহিদুল হাসান, আরো বক্তব্য রাখেন,মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রক্তিম চৌধুরী,মানিক ছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও খাগড়াছড়ি জেলাপরিষদের সদস্য মাঈন উদ্দিন,চেয়ারম্যান-১নং মানিকছড়ি-শফিকুর রহমান ফারুক প্রমুখ।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এম ফরিদুল হক খান বলেন, ইসলামের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশে ৫৬৪টি মডেল মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সারা দেশে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ৫৬৪টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করে বিশ্বের ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মডেল মসজিদগুলোয় শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থাসহ অজু ও নামাজের জন্য আলাদা জায়গা রয়েছে। এ ছাড়া থাকবে হজ গমনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, ইমাম প্রশিক্ষণকেন্দ্র, গবেষণাকেন্দ্র ও ইসলামিক লাইব্রেরি, অটিজম কর্নার, দাফনের আগের আনুষ্ঠানিকতা, গাড়ি পার্কিং সুবিধা, হিফজখানা, প্রাক্‌-প্রাথমিক শিক্ষা ও পবিত্র কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা, ইসলামি সাংস্কৃতিক সম্মেলনকক্ষ। আরও থাকছে ইসলামি দাওয়াত, ইসলামিক বই বিক্রয়কেন্দ্র ও মসজিদের সঙ্গে দেশি–বিদেশি অতিথিদের জন্য একটি বোর্ডিং সুবিধা।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো যেসব এলাকায় রয়েছে- ফরিদপুরের ভাঙ্গা, নগরকান্দা, গাজীপুরের কাপাসিয়া, গোপালগঞ্জের সদর উপজেলা, কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলা, কটিয়াদী, মানিকগঞ্জের ঘিওর, সাটুরিয়া, নরসিংদীর সদর উপজেলা, মনোহরদি, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা, জেলা সদর, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা, বগুড়ার ধুনট উপজেলা, নন্দীগ্রাম, নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা, নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলা, পাবনার ভাঙ্গুরা সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, রাজশাহী সিটি করপোরেশন, রংপুরের গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া, ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলা, শেরপুরের সদর উপজেলা, পিরোজপুরে সদর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর ও কসবা, খাগড়াছড়ির সদর উপজেলা ও মানিকছড়ি, কুমিল্লার চান্দিনা ও চৌদ্দগ্রাম, খুলনার রূপসা, কুষ্টিয়ার খোকশা ও ভেড়ামারা, মেহেরপুর জেলা সদর ও গাংনী, সাতক্ষীরার দেবহাটা, সিলেটের গোয়াইনঘাট, সুনামগঞ্জ জেলা সদর এবং জগন্নাথপুর, হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলা।

COMMENTS