ন্যায্য বেতনের দাবিতে খাগড়াছড়িতে সরকারি কর্মচারীদের প্রতীকী অনশন

শেয়ার করুন

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক: বৈষম্যহীন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নসহ সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।

১৬ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচি সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলে। এতে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচি চলাকালে প্রেস ক্লাব এলাকা স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুনে মুখর হয়ে ওঠে।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নে বৈষম্য বিদ্যমান রয়েছে, যার ফলে সরকারি কর্মচারীরা নানাভাবে আর্থিক সংকটে পড়ছেন। বর্তমান বাজারদর ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে বিদ্যমান বেতন কাঠামোর কোনো সামঞ্জস্য নেই বলেও তারা মন্তব্য করেন।

বক্তারা ১:৪ অনুপাত অনুযায়ী ১২ গ্রেড ভিত্তিক নতুন ও যুগোপযোগী বেতন কাঠামো প্রণয়ন, সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণ, পে-স্কেলের গেজেট দ্রুত প্রকাশ এবং আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার জোর দাবি জানান। তাদের মতে, এসব দাবি বাস্তবায়িত হলে সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নসহ প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আসবে।
নেতারা আরও বলেন, সরকার যদি দ্রুত এসব যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে আগামী দিনে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

অনশন কর্মসূচি চলাকালে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাদের দাবি তুলে ধরেন। পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সভাপতি মন্টু তালুকদার, বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অংক্যজাই মারমা, সিনিয়র সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ধর্মজয় ত্রিপুরা, হেলী চাকমা, অনিমা দে-সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। প্রতীকী অনশন কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ, খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি