খাগড়াছড়িখাগড়াছড়ি সংবাদপাহাড়ের সংবাদশিরোনামস্লাইড নিউজ

খাগড়াছড়িতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডারদের সংবাদ সম্মেলন

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করছে এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করছে হারুন মিয়া এমন অভিযোগ তুলে সংবাদ  সম্মেলন করেছে সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের নেতৃবৃন্দ। ৯এপ্রিল বেলা ১১ টার দিকে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবনের হল রুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের ডিপুটি কমান্ডার (সাবেক) ফিলিপ বিজয় ত্রিপুরা। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের জেলা কমান্ডার (সাবেক)  মফিজুর রহমান তালুকদার,  সদর উপজেলা কমান্ডার (সাবেক) আব্দুর রহমান,  বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বশর, দিল মোহাম্মদ, কাজী মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের যাবতীয় সুবিধা দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে মুক্তিযোদ্ধাদের গর্বিত করেছেন।  অথচ কিছু মুক্তিযোদ্ধা সন্তান নামধারী লোক অনৈতিক বা মুক্তিযোদ্ধার দোহাই দিয়ে বিভিন্ন অফিস আদালত থেকে তাদের নিজের সুবিধা আদায়ের লক্ষে অহেতুক মানববন্ধন করে হরতাল সহ নানা কর্মসূচি দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের মানসম্মান ক্ষুণ্ণ করছে। খাগড়াছড়িতে হারুন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি হিসেবে নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করে আসছেন।

৫ এপ্রিল মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড নাম দিয়ে ব্যানার বানিয়ে হারুন মিয়া জেলা চীফ জুডিশিয়াল কোর্টের নিয়োগ বিষয়ে আইন বিভাগের বিরুদ্ধে  মানববন্ধন করে। এসময় অহেতুক কর্মসূচি দিয়ে এ জেলাকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালিয়ে জেলার সকল মুক্তিযোদ্ধাদের মানসম্মান হানি করেছে। অথচ এ কর্মসূচির বিষয়ে জেলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড অবগত নয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত মতে খাগড়াছড়ি জেলার সকল অফিসে বিশেষ করে পার্বত্য জেলা নির্ধারিত কোটায় মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সম্মানের সহিত চাকুরী প্রদান করছে এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক অফিস ও বিচার বিভাগ সেই নির্ধারিত কোড অনুসরণ করে বলে মুক্তিযোদ্ধাদের বিশ্বাস। জেলা সন্তান কমান্ডের দায়িত্বে হারুন মিয়া নেই। তার কথায় কোন মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাড়া না দিতে আহ্বান জানানো হয় লিখিত বক্তব্যে।