খাগড়াছড়িতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭, আহত ৪

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি শহরের স্বনির্ভর এলাকায় আঞ্চলিক দলের আধিপত্য বিস্তারকে তন্দ্রে করে সন্ত্রাসীদের গুলীতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭ জন। এই ঘটনায় আ

লক্ষ্মীছড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা আদায়
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা লক্ষ্মী
লক্ষ্মীছড়িতে বিএনপির অনশন পালিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি শহরের স্বনির্ভর এলাকায় আঞ্চলিক দলের আধিপত্য বিস্তারকে তন্দ্রে করে সন্ত্রাসীদের গুলীতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭ জন। এই ঘটনায় আরো ৪ জনের অবস্থা গুরুতর বলে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ঘটনায় পর থেকে খাগড়াছড়ি জেলা জুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ১৮ আগস্ট শনিবার সকাল পৌনে ৯টার সময় খাগড়াছড়ি সদরের স্বনির্ভর এলাকায় একটি সভাকে কেন্দ্র করে জড়ো হওয়া পার্বত্য চুক্তি বিরোধী সংগঠন ইউপিডিএফর নেতাকর্মীদের উপর অতর্কিত সশস্ত্র হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭জন নিহতের পাশাপাশি আহত হয়েছে আরো ৪জন।
আহতদের অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করলে জেলার ধর্মপুর এলাকায় আবারো মিছিলের উপর গুলি চালিয়েছে বলে জানা গেছে। এতে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা শুনা গেলেও গুলিবিদ্ধ একজনকে বেলা সোয়া বারোটার সময় খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে আনা হলে মারা যায়।
এর আগে, সকালে স্বয়ংক্রিয় অত্যাধুনিক এসএমজি ব্যবহার করেই খাগড়াছড়ি সদরের স্বনির্ভর এলাকায় প্রকাশ্য অতর্কিত ব্রাশ ফায়ারের ইউপিডিএফ’র ৬ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে স্থানীয় সূত্রে। হামলাকারিরা অত্যন্ত সুদক্ষভাবে তাদের মিশন শেষ করে নির্বিঘেœ পালিয়ে যায়।

নিহত নিহতরা হলেন- ইউপিডিএফ সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তপন চাকমা (২৩), সহ-সম্পাদক এলটন চাকমা (২৮), গণতান্ত্রিক যুবফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা পলাশ চাকমা (২৯), বরুন চাকমা (২৬), রুপন চাকমা (২৭), মহালছড়ি উপজেলা সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক জিতায়ন চাকমা (৫২) ও শন কুমার চাকমা(৭০)। আহতরা হলেন, সোহেল চাকমা, সমর বিকাশ চাকমা ও সডিসন চাকমা। তাদেরকে উন্নত চিকিৎসা জন্য চট্টগ্রাম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
সদর থানার ওসি সাহাদাৎ হোসেন টিটিু জানান, নিহতদের মরদেহ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে উল্লেখ করে ওসি আরো বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন ইউপিডিএফ’র প্রতিপক্ষ জেএসএস ও ইউপিডিএফ  গণতান্ত্রিকের সন্ত্রাসীরা এই হামলা চালিয়েছে। তবে তদন্তের পর এ বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যাবে। তবে আধিপত্য বিস্তারের শক্তি পর্দশন করার জন্যই এই হামলা হয়ে থাকতে পারে।’ ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো শহরেই পরিস্থিতি থমথমে হয়ে আছে।

‘ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর প্রচার শাখার প্রধান নিরন চাকমা সংস্কারপন্থী সন্ত্রাসীদের দায়ী করেছেন তবে সংস্কারপন্থীরা এঘটনার সাথে নিজেদের সংশ্লিষ্টা অস্বিকার করেছে।