চাঁদা না পেয়ে কৃষকের বাগান ধ্বংস ও ঘরে আগুন দিলো সন্ত্রাসীরা

চাঁদা না পেয়ে কৃষকের বাগান ধ্বংস ও ঘরে আগুন দিলো সন্ত্রাসীরা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে চাঁদার দাবিতে এক উপজাতির নিজস্ব ভূমিতে নির্মিত ঘরে অগ্নিসংযোগ,অন্য আরেকটি ঘরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ক

খাগড়াছড়ির ৫ইউনিয়নে নির্বাচিত হয়েছেন যারা, ১ইউনিয়নের ফলাফল স্থগিত
লক্ষ্মীছড়িতে পিএসসি পরীক্ষার্থী ৮৪৬জন, অনুপস্থিত ১০২জন
লক্ষ্মীছড়িতে শিশু ও নারী উন্নয়ন বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন কর্মশলা অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে চাঁদার দাবিতে এক উপজাতির নিজস্ব ভূমিতে নির্মিত ঘরে অগ্নিসংযোগ,অন্য আরেকটি ঘরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করে, ফলজ বাগানের ১৮০০ টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ।

এতে প্রায় ১০-১২ লাখ টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত মালিক জ্যোতিষ জ্ঞান চাকমা।

সে আরো বলেন,আমার নিজস্ব জায়গার উপর তিলে তিলে নির্মিত স্বপ্নের বাগান ও বাগান বাড়ি যেন এক রাত্রেই জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে মাটিতে বসিয়ে দিল।

এ সময় দুষ্কৃতিকারীরা সীমানা পিলার উত্তোলন ও তার কাটার নিয়ে যায়। খাগড়াছড়ি জেলা সদরের উত্তর সবুজবাগ (অনন্ত মাস্টার) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মতিন মেস্ত্রীরির ছেলে জসিম,আবু মিয়ার ছেলে শাহাদাত,মিষ্টিওলার ছেলে আঃ রাজ্জাক, শাহিন ফকির, রঞ্জু মিয়া,রাজ্জাকের ছেলে আল-আমিন, সালা উদ্দিনসহ আরও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত বলে দাবি করে তাদের আটকের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিক জ্যোতিষ জ্ঞান চাকমা।

এদিকে চাঁদা দাবি ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় অভিযুক্ত জসিম এর সঙ্গে মুঠো ফোনে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত নয় বলে অভিযোগ অস্বীকার করেন।

খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, উল্লেখিত বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা যায়, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পেরাছড়া ইউনিয়নের পেরাছড়া মৌজাস্থ ১২ নম্বর এলাকায় (বিজিবি সেক্টর হেডকোয়ার্টারের পাশে) ওই পাহাড়ি গ্রামবাসীর সৃজিত মিশ্র ফলজ বাগানের বিভিন্ন ফলজ গাছ করার সুবাধে দীর্ঘদিন করে চক্রটি মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছে।

চক্রটি চাঁদা না পেয়ে রোববার (১৪ নভেম্বর) রাতে ওই বাগানে সৃজন করা গাছগুলো কেটে ফেলে। একই সঙ্গে বাগানের নির্মিত খামার ঘরে অগ্নিসংযোগ ও আরেকটি ঘর ভাঙচুর করে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত মালিক জ্যোতিষ জ্ঞান চাকমা।

তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতেদর দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার পূর্বক ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। একই সঙ্গে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

১২ নভেম্বরও আমি খাগড়াছড়ি সদর থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ দাখিল করলেও প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে তারা বাগানে নির্মিত একটি ঘর আগুন লাগিয়ে দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে এবং আরেকটি ঘরে ভাঙচুর ও ঘরের টিনের বেড়াগুলো কেটে নষ্ট করে দিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বাগানে বেড়ার জন্য ব্যবহৃত ১শ’টি পিলার, বেড়ার ১৭টি জিআই তারের নেট খুলে নিয়ে গেছে। এছাড়া বাগানে রোপন করা ৫শ’টি সুপারি চারা, ৫শ’টি পেঁপে গাছ, ৯ প্রজাতির ৩শ’টি কলা গাছ, ৫শ’টি সিটলেস লেবু গাছ কেটে ধ্বংস করে দিয়েছে।