চট্টগ্রাম সংবাদশিরোনামস্লাইড নিউজ

ঝঁংকার মোড়ে পরিবহন শ্রমিকের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: মাইজভান্ডার দরবারশরীফের বিশেষ দিনে মাইজভান্ডার শরীফে আগত ভক্ত মুরিদের সিএনজি গাড়ি প্রতি ১শ টাকা এবং বাস গাড়ি প্রতি ৩শ টাকা করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আগত ভক্ত ও বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিরা জানান, পরিবহন শ্রমিক ফেড়ারেশনের নামে জনৈক ইসকান্দরের নেতৃত্বে ২০-৩০জন যুবক বিগত ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) সহ বেশকটি বিশেষ দিনে এমন চাঁদাবাজি করেছে। গত মঙ্গলবার ফটিকছড়ির ইউএনও দীপক কুমার রায়ের সভাপতিত্বে ও বুধবার সহকারী কশিমনার (ভূমি) আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দুটি সভায় ভক্তরা ওইসব চাঁদার স্বাক্ষর ও ঠিকানাবিহীন রশিদপত্রও প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করেন।

ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন মাহমুদ রশিদপত্র গুলো দেখে এর কোন ভিত্তি নেই বলে জানান।  ফটিকছড়ির ইউএনও দীপক কুমার রায় বলেন, এ ধরনের চাঁদাবাজির ঘটনাকে বা কারা ঘটালো তাদের ব্যাপাওে তদন্ত কওে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ফটিকছড়ি থানা ও নাজিরহাট হাইওয়ে পুলিশ ইনচার্জকে নিদেশদেওয়া হয়েছে বলে জানান।

শাহ এমদদীয়া মনজিল: মাইজভান্ডারী দরবার শরীফের প্রতিষ্টাতা গাউছুল আজম মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্যাহ মাইজভান্ডারী (ক.) ১১২তম বার্ষিক ওরশ শরীফ (১০ মাঘ) উপলক্ষ্যে প্রশাসনিক সমন্বয় সভা গতকাল বুধবার ফটিকছড়ির সহকারী কশিমনার (ভূমি) আবু হাসনাতমোহাম্মদশহিদুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। গাউছিয়া আহমদিয়া শাহ এমদাদীয়া মঞ্জিলের সেমিনার হলে এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাজ্জাদানশীন সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভান্ডারী (ম.জি.আ)।  বক্তব্য রাখেন, আজাদী বাজার পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. সরোয়ার জাহান, নাজিরহাট হাইওয়ে পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মো. মুজিবুর রহমান, শাহজাদা সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী, সাংবাদিক এম এস আকাশ, শাহ এমদাদীয়ার কর্মকর্তা সৈয়দ আবু তালেব, মাস্টার আলমগীর, অধ্যাপক মেজবাহ উদ্দিন শৈবাল, ইউপি সদস্য শফিউল আলম প্রমুখ।

সভায় ১০মাঘ ওরশ উপলক্ষ্যে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর মাজার ও মাইজভান্ডার শরীফ এলাকায় ক্লোজ-সার্কিট ক্যামরার মাধ্যমে সার্বক্ষনিক নজরদারি করা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন রাখা, নাজিরহাট নতুন রাস্তার মাতায়, ফটিকছড়ি সদরে ও নানুপুর লায়লা-কবির কলেজ মাঠে যানবাহন পার্কিং, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় লাইটিং করা, মাইজভান্ডাল পুকুর আবর্জনা মুক্ত রাখা, প্রয়োজনীয় পানীয় জলের ব্যবস্থা করা, স্ব-স্ব মনজিলেরপোষাক পরা সেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা, মহিলাদের চলাচলের স্থানে মহিলা সেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা, আযানের সময় সকল প্রকাল মাইকিং বন্ধ রাখা, নির্দিষ্ঠ সময়ের পরে গরু-মহিষ হাদিয়া প্রবেশ বন্ধ রাখা, পর্যাপ্ত পরিমানে ভ্রাম্যমান স্যানিটেশন ব্যবস্থা করা, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিধান্তের জন্য একজন ম্যাজিষ্টেট এর নেতৃত্বে  ভ্রাম্যমান আদালত সব সময় টহল রত থাকা সকল প্রকার যোগাযোগের জন্য একটি তথ্য কেন্দ্র খোলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।