• May 24, 2024

মানিকছড়িতে পরিবার-পরিকল্পনা বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা

আবদুল মান্নান: মানিকছড়ি উপজেলার জনপ্রতিনিধি,হেডম্যান-কার্বারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে ২৮ মে অনুষ্টিত হয়েছে পরিবার-পরিকল্পনা বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হল রুমে উপজেলা পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নিটোল মনি চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্টিত উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব ও প্রধান আলোচক ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিবার-পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মকর্তা ও উপ-পরিচালক ডা.বিপ্লব বড়–য়া। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জয়নাল আবেদীন,বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(অ.দা) রুবাইয়া আফরোজ ও পরিবার-পরিকল্পনা বিভাগের ফ্যাসিলেটর মোনায়েম শাহ। বক্তব্য রাখেন যোগ্যাছোলা ইউপি চেয়ারম্যান ক্যয়জরী মহাজন, প্রধান শিক্ষক এম.কে.আজাদ, ইউপি সদস্যা শাহিনা আক্তার প্রমূখ।

উক্ত উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালায় উপ-পরিচালক ডা বিপ্লব বড়ুয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন, আজকের কিশোর-কিশোরীরা আগামী দিনে সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল্যবান জনসম্পদ। তাই তাদের প্রজনন স্বাস্থ্য,পরিচ্ছন্নতা ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা আবশ্যক। এছাড়া বাল্য বিবাহের কূফল বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে করণীয়, মাতৃস্বাস্থ্য,শিশুস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আজকের এ আয়োজন। কিশোর-কিশোরীরা দৈহিক গঠন পরিবর্তনকালে তাদের করণীয় সর্ম্পকে সচেতন নয়। ফলে তারা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সহজে রোগাক্রান্ত হয়। বাল্যবিয়ের ফলে অল্প বয়সে একজন কিশোরী যখন মা হয় তখন সে পরিবার ও সমাজে লোকচক্ষুর লজ্জায় সবকিছু গোপন রাখে। এমন কী সন্তান সম্ভাবা হলেও সে যথাসময়ে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে জীবন হুমকির মূখে ফেলে দেয়। এতে গর্ভের সন্তান ও মা উভয়ের জীবন হুমকির মধ্যে পড়ে।

এখন সময় এসেছে পরিবার-পরিকল্পনা বিভাগের বিভন্ন সেবা গ্রহন করে সকল সমস্যা সমাধান করার। সরকার পরিবার-পরিকল্পনা বিভাগের মাধ্যমে জনসেবা নিয়ে জনগণের দ্বারগৌড়ায় পৌঁছতে চায়। এখন শুধু প্রয়োজন জনসচেতনতা। আর কাজটি তৃণমূলে পৌঁছে দিতে প্রয়োজন জনপ্রতিনিধি,হেডম্যান, সুশীল ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের এগিয়ে আসার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা ২০৪১ সালে উন্নতদেশ হিসেবে পরিচিত হবে বাংলাদেশ। তাই সর্বক্ষেত্রে পরিকল্পিত উন্নয়ন ও পরিকল্পনা প্রয়োজন।

পরে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আজকের উপস্থিত সকল জনপ্রতিনিধি,হেডম্যান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সোচ্চার হলে সমাজে অবশ্যই বাল্য বিবাহ বন্ধ হবে। স্কুল-কলেজে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিতে অভিভাবকদের পাশাপাশি শিক্ষকদের এগিয়ে আসতে হবে। সকলের সমন্বিত উদ্যোগের ফলেই পরিবার-পরিকল্পনা বিভাগের সকল কার্যক্রমে সফলতা আসবে। পরে সভাপতির সমাপনী বক্তবের মধ্য দিয়ে সভার কাজ শেষ হয়।

পাহাড়ের আলো

https://pahareralo.com

সর্বাধিক জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল। সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে জানতে চোখ রাখুন পাহাড়ের আলোতে।

Related post