পাহাড়ের আলো ডেস্ক: মন্ত্রণালয়ের চিঠি দিয়ে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে সকল নিয়োগ স্থগিত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সরকারি নিয়োগে কোটা সংক্রান্ত বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে দায়ের রিটের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সকল নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিতের আবেদন জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলন। আবেদনের বিষয়টি আমলে নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘মর্ম অনুযায়ী’ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছে।
৬ জানুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিষদ-১ শাখার উপসচিব মোঙ্গল চন্দ্র পাল স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, ‘মহামান্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং ১০০৩৯/২০২৫ নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পার্বত্য জেলা পরিষদ, খাগড়াছড়ির অধীনস্থ সকল নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার বিষয়ে প্রাপ্ত আবেদনপত্রের মর্ম অনুযায়ী সদয় অবগতি ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’
পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, খাগড়াছড়ির পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদ উল্লাহ ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবরে একটি আবেদন জানান। আবেদনে তিনি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে সকল নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার বিষয়ে হাইকোর্টে তাঁর দায়ের রিট পিটিশন নং ১০০৩৯/২০২৫ তুলে ধরেন।
আসাদ উল্লাহ তাঁর আবেদনে দাবি করেন যে, হাইকোর্ট তাঁর ওই রিট গ্রহণ করে ইতোমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণায়ের সচিব এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দেয়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন।
রিটে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়সহ পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে বাজার ফান্ড প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, সিভিল সার্জন কার্যালয়, জেলা গ্রন্থাগার ও সমাজ সেবা অধিদপ্তরে লোকবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, পুনঃবিজ্ঞপ্তিতেও কোটা সংক্রান্ত বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
৬ জানুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চিঠির প্রেক্ষিতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ‘পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ’ এর মাধ্যমে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে সুষ্ঠু সমাধান খুঁজে বের করবেন- এমনটাই আশা করছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলন নেতৃবৃন্দ।